সিজিএস সভাপতি বললেন

রাজনীতিতে নারীর অর্থবহ অংশগ্রহণ সীমিত

সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজের (সিজিএস) সভাপতি জিল্লুর রহমান বলেছেন, নারীর জনসংখ্যাগত শক্তি ও তাদের সীমিত রাজনৈতিক প্রভাবের মধ্যে বৈপরীত্য তুলে ধরেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫১ শতাংশ এবং ভোটারের প্রায় অর্ধেক নারী হলেও তাদের অর্থবহ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ এখনো সীমিত। তিনি বলেন, গণতন্ত্রকে শুধু নির্বাচনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয় বরং বিভিন্ন মতাদর্শের রাজনৈতিক কর্মীদের সম্মিলিতভাবে রাজনৈতিক অধিকার ও নেতৃত্বে অগ্রসর করার আহ্বান জানান।

নৈতিক অভিজাত, ক্লায়েন্টেলিজম, গণতন্ত্রীকরণ ও শাসন : অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি ও নারীর অংশগ্রহণের পথসমূহ শীর্ষক কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। গতকাল শনিবার ঢাকার একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) ফ্রেডরিখ-এবার্ট-স্টিফটুং (এফইএস)-এর সহযোগিতায় এই কর্মশালার আয়োজন করে।। দিনব্যাপী এই কর্মশালায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সংগঠন এবং স্বাধীন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের নারী রাজনৈতিক কর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালার থিম উপস্থাপন করেন সিজিএসের নির্বাহী পরিচালক পারভেজ করিম আব্বাসী। অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন এফইএস বাংলাদেশের প্রোগ্রাম অ্যাডভাইজার সাধন কুমার দাস। সেশনগুলো পরিচালনা করেন দ্য কার্টার সেন্টারের কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ শাম্মী লায়লা ইসলাম। কর্মশালায় পারভেজ করিম আব্বাসী ক্লায়েন্টেলিজমকে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়নের প্রধান অন্তরায় হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি ব্যাখ্যা করেন, কীভাবে পৃষ্ঠপোষকতাভিত্তিক রাজনীতি, লবিং, দুর্নীতি এবং দলীয় অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের অভাব রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানকে দুর্বল করে এবং গণতান্ত্রিক চর্চাকে সীমিত করে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক রাজনৈতিক সংগঠন নারীর অর্থবহ রাজনৈতিক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অপরিহার্য।