হালান্ডকে আটকানোর কোনো ‘গোপন রহস্য’ নেই, দাবি আনচেলত্তির

বিশ্বকাপ ফুটবলের শেষ ১৬-র হাইভোল্টেজ ম্যাচে আজ রাতে মুখোমুখি হচ্ছে ব্রাজিল ও নরওয়ে। তবে এই ম্যাচের মহাতারকা আর্লিং হালান্ডকে কীভাবে রুখতে হবে, তা নিয়ে নিজের ডিফেন্ডারদের আলাদা কোনো পরামর্শ দেওয়ার প্রয়োজন দেখছেন না ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচলত্তি। তাঁর দাবি, নরওয়েজিয়ান গোলমেশিনকে থামানোর কৌশল সেলেসাও ডিফেন্ডারদের খুব ভালো করেই জানা আছে।

চলতি বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ফর্মে আছেন হলান্দ। মাত্র ৩ ম্যাচে ৫ গোল করে ইতিমধ্যেই গোল্ডেন বুটের দৌড়ে বেশ ভালোভাবেই আছেন এই ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার। রবিবার নিউ জার্সিতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে তাঁর মুখোমুখি হবেন ব্রাজিলের গ্যাব্রিয়েল মাগালাস, যার সঙ্গে প্রিমিয়ার লিগে আর্সেনাল বনাম ম্যান সিটির দ্বৈরথ বেশ পুরনো। এছাড়া ব্রাজিলের অধিনায়ক ও অন্যতম প্রধান ডিফেন্ডার মার্কিনহোসও চ্যাম্পিয়ন্স লিগে হালান্ডের বিরুদ্ধে খেলেছেন।

ম্যাচ পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে আনচেলত্তি বলেন, "সবাই জানে ও (হালান্ড) কীভাবে খেলে। আমার ডিফেন্ডারদের নতুন করে বোঝানোর কিছু নেই যে ওর বিরুদ্ধে কীভাবে খেলতে হবে। তারা এর আগে বেশ কয়েকবার ওর মুখোমুখি হয়েছে। আমি মনে করি না ‘অ্যান্টি-হালান্ড’ বলে বিশেষ কোনো পরিকল্পনা আছে। আমার খেলোয়াড়দের ডিফেন্ডিং শেখানোর প্রয়োজন নেই।"

ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ব্রুনো গিমারেসও নিউক্যাসলের হয়ে খেলার সুবাদে হালান্ড সম্পর্কে বেশ অভিজ্ঞ। নিউক্যাসলের এই তারকা মাঝমাঠে হলান্দের কাছে বলের জোগান বন্ধ করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন। বিশেষ করে লুকাস পাকেতা ইনজুরির কারণে ছিটকে যাওয়ায় ব্রাজিলের মাঝমাঠে যে পরিবর্তন আসবে, তাতে গিমারেসের দায়িত্ব আরও বেড়ে গেছে।

গিমারেস বলেন, "আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যেন বল ওর পায়ে না পৌঁছায়। আমাদের আক্রমণাত্মক খেলতে হবে, তবে একই সাথে কেউ একজন যেন সবসময় ওর ওপর নজর রাখে। কারণ একটা মাত্র সুযোগ পেলেই ও ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দিতে পারে।"