চট্টগ্রামে চালু হলো নগর গবেষণা কেন্দ্র

চট্টগ্রাম নগরীর আবাসন, ট্রাফিক ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ নানা সমস্যার বিজ্ঞানভিত্তিক সমাধান খুঁজতে  ‘সিটি সার্ভিস ইনকিউবেটর অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ বা নগর গবেষণা কেন্দ্র চালু হয়েছে। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) ও প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে এই গবেষণা কেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে জিইসি মোড়ে অবস্থিত প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাসে এই কেন্দ্রের উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, একটি আধুনিক, টেকসই ও নাগরিকবান্ধব নগর গড়ে তুলতে গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের কোনো বিকল্প নেই। এই নগর গবেষণা কেন্দ্রটি চট্টগ্রামের সুনির্দিষ্ট সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে তা সমাধানে কার্যকর ও বাস্তবমুখী পথ দেখাবে।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সম্পৃক্ততা চট্টগ্রামকে জ্ঞানভিত্তিক ‘স্মার্ট সিটি’তে রূপান্তরের পথ আরও একধাপ এগিয়ে নেবে বলে আমরা আশাবাদী।

প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক এস এম নছরুল কদির বলেন, চসিক ও কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এই ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা দেশের নগর উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে। এই সেন্টার থেকে উদ্ভাবিত নীতিগত সুপারিশ নগর প্রশাসন ও জনসেবার মানোন্নয়নে বাস্তব অবদান রাখবে বলে মনে করে তিনি।

কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. টিম ইভান্স বলেন, যৌথ গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা এমন একটি অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে চাই, যা স্থানীয় ও বৈশ্বিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কার্যকর সমাধান তৈরি করবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ট্রেজারার অধ্যাপক ড. জাহেদ হোছাইন সিকদার, রেজিস্ট্রার মো.ইফতেখার মনির, ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্স অফিসের ডিরেক্টর সাদাত জামান খান, স্থাপত্য বিভাগের চেয়ারম্যান হোসেন মুরাদ,চসিকের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা রক্তিম চৌধুরী ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মঈনুল হোসেন চৌধুরী।

২০২৫ সালের জুলাই মাসে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন কানাডার কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনকালে ড. টিম ইভান্সের সঙ্গে আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা বিষয়ে একটি ফলপ্রসূ আলোচনা করেন। সেই আলোচনার সূত্র ধরেই এই গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠা হয়। কেন্দ্রটি উদ্বোধনের আগে প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি ও কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে যৌথ গবেষণা ও শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়।