সে কিন্তু তেমন কেউ না—নির্জন খোলামাঠ কিংবা দূরের অপলক তাকিয়ে থাকা বিষণ্ণ খেয়াঘাট! একটা ‘সে’র মধ্যে অজস্র ‘তাহারা’ জীবন বাঁচানোর জন্য ধান খায় আবার উড়ে যায়। ধরো, একটা ‘সে’ সহস্র বছর অপেক্ষা করে সামান্য নবান্ন উৎসবের অভিপ্রায়... এরচেয়ে বেশি কোনো সম্পর্ক নেই! একটা সে’র সাথে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা শূন্য—কোনো এক পুণ্যে দেখা কৃষ্ণচূড়া। একটা ‘সে’ কোনো দিন চোখ তুলে তাকায় না—তা সে হোক পাখি, হোক মেঘ!
সে কিন্তু তেমন কেউ না—দমকা কালবৈশাখী ঝড় কিংবা বুক ফুলিয়ে রুখে দাঁড়ানো কৈশোর অনড়। বৈরাগী মন নিয়ে ‘তাহারা’ কী কানাকানি করে—এটুকুই দেখার বাকি।
সে হয়তো শুকনো পাতা—মর্মর ধ্বনির সাথে হারিয়ে যাবার কথা। শেষ পর্যন্ত, সে হয়তো বাঁশের সাঁকো এপার ওপারের না-ভেজা সম্পর্ক, কিংবা হলেও হতে পারে সে একটুকরো শিবসা নদী—উথালপাথাল ঢেউ!
হয়তো সে তেমন কেউ না—প্রশ্ন করিনি, আমি কি তার অনাত্মীয় কেউ?
সে কিন্তু তেমন কেউ না—দমকা কালবৈশাখী ঝড় কিংবা বুক ফুলিয়ে রুখে দাঁড়ানো কৈশোর অনড়। বৈরাগী মন নিয়ে ‘তাহারা’ কী কানাকানি করে—এটুকুই দেখার বাকি।
সে হয়তো শুকনো পাতা—মর্মর ধ্বনির সাথে হারিয়ে যাবার কথা। শেষ পর্যন্ত, সে হয়তো বাঁশের সাঁকো এপার ওপারের না-ভেজা সম্পর্ক, কিংবা হলেও হতে পারে সে একটুকরো শিবসা নদী—উথালপাথাল ঢেউ!
হয়তো সে তেমন কেউ না—প্রশ্ন করিনি, আমি কি তার অনাত্মীয় কেউ?