নতুন অর্থবছরের ১১ দিনেই রেমিট্যান্সে ১১.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

নতুন অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম ১১ দিনে (১–১১ জুলাই) দেশে ১১৫ কোটি ৪০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। যা গত অর্থবছরের একই সময়ের ১০৩ কোটি ৪০ লাখ ডলারের তুলনায় ১১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। 

রবিবার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যে দেখা যায়, শুধু ৯ থেকে ১১ জুলাই—এই তিন দিনেই দেশে এসেছে ১৯ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। ফলে জুলাই মাসের শুরু থেকেই প্রবাসী আয় প্রবাহে ইতিবাচক গতি বজায় রয়েছে। 

প্রবাসী আয়ের হিসাবে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ১৪১ দশমিক ৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশেষায়িত ব্যাংকগুলোর মধ্যে শুধু বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১৬৩ দশমিক ৭৬৬ মিলিয়ন ডলার। বেসরকারি (প্রাইভেট) ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে সর্বোচ্চ ৮৪৬ দশমিক ৫৪ মিলিয়ন ডলার। আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২ দশমিক ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আগ্রহ বৃদ্ধি, হুন্ডি দমনে নজরদারি জোরদার এবং প্রণোদনা সুবিধা অব্যাহত থাকায় রেমিট্যান্স প্রবাহে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। তবে এই ধারা ধরে রাখতে প্রবাসীবান্ধব সেবা আরও সহজ করা, অর্থ পাঠানোর খরচ কমানো এবং দ্রুত লেনদেন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন তারা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের মতে, অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করতে সহায়ক হবে। একই সঙ্গে আমদানি ব্যয় মেটানো এবং বৈদেশিক লেনদেনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতেও এ প্রবাহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।