চট্টগ্রামে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ১৫ হাজার ঘরবাড়ি

চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলার বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। কিছু নিম্নাঞ্চল ছাড়া অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেছে। মানুষ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়িঘরে ফিরছে। পানি নেমে যাওয়ায় দৃশ্যমান হচ্ছে ক্ষতচিহ্ন। বন্যায় জেলার ১৫ হাজার ২২৩ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁশখালীতে, চার হাজার ৫১০টি এবং  সাতকানিয়ায় দুই হাজার ৪৮০টি।

বন্যা পরিস্থিত উন্নতির সঙ্গে ডায়রিয়াসহ পানিবাহিত রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাড়ছে সাপে কাটা রোগীর সংখ্যাও। অতিভারী বর্ষণে সৃষ্ট বন্যা, পাহাড়ধস ও দেওয়ালধসে এখন পর্যন্ত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এ ছাড়া বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৪৪ জন।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত সাপের কামড়ে আহত হয়ে ১০৫ জন চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে বোয়ালখালীতে ২৬ জন, বাঁশখালীতে ১৯ এবং পটিয়ায় ১৮ জনসহ বিভিন্ন উপজেলার বাসিন্দা রয়েছেন। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আক্রান্তরা বিষহীন সাপে কাটা রোগী ছিল। বন্যার পানি কমার পর থেকে বিভিন্ন এলাকায় ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত ১১২ জন ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন।