রাষ্ট্রপতি পদে যে কারণে পছন্দের শীর্ষে মির্জা ফখরুল

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) তার পদত্যাগের পরপরই একটি প্রশ্নই জনমনে ঘুরে ফিরছে- কে হচ্ছেন বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন দেশের বর্তমান প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং সার্বিক সমীকরণে দল ও দলের বাইরে পছন্দের শীর্ষে সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। 

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ব্যক্তিগত প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল তিনটি বিষয়। ফ্যাসিবাদী শাসনামলে কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তন এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপির রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ। রাজনৈতিক বাস্তবতার ধারাবাহিকতায় তিনি এসব ঘটনার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হয়েছেন।

তবে মির্জা ফখরুলকে রাষ্ট্রপতি করা হলে দল ও সরকারে একসঙ্গে কয়েকটি পরিবর্তন আনতে হবে। তাঁকে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর দায়িত্ব ছাড়তে হবে এবং বিএনপির মহাসচিব পদেও নতুন কাউকে আনতে হবে। রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করলে সংবিধান অনুযায়ী তাঁর ঠাকুরগাঁও-১ আসনও শূন্য হবে। সরকারের মেয়াদের শুরুর দিকেই দল, মন্ত্রিসভা ও সংসদীয় আসনে এই পুনর্বিন্যাস করা হবে কি না, সেটিও বিএনপির সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয় হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন সেপ্টেম্বর পর্যন্ত গড়ানোর সম্ভাবনাই বেশি। তবে দলীয় প্রার্থীর সিদ্ধান্ত হলে এখন পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলামের নামই আলোচনায় এগিয়ে। আর দলীয় রাজনীতির বাইরে থেকে কাউকে নেওয়া হলে সাবেক প্রধান বিচারপতিসহ গ্রহণযোগ্য কোনো ব্যক্তির নাম সামনে আসতে পারে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য এখন সবার দৃষ্টি বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকের দিকে।