অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজ খেলা হচ্ছে না তরুণ পেসার নাহিদ রানার। জিম্বাবুয়ে সফরে পাওয়া সাইড স্ট্রেইনের চোটের কারণে এই সফর থেকে ছিটকে গেছেন তিনি। তার চোটের পর প্রশ্ন উঠেছে, অজিদের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে জিম্বাবুয়ে বিপক্ষে সীমিত ওভারের ম্যাচগুলোতে খেলানো কতটা যৌক্তিক ছিল টিম ম্যানেজমেন্টের?
প্রথম টেস্টের জন্য দল ঘোষণার পর আজ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন প্রধান নির্বাচক হাবিবুল বাশার। সেখানে নাহিদের প্রসঙ্গ এলে তিনি জানান, একজন পেসারের ক্ষেত্রে শুধু বেশি খেলানোই নয়, একেবারে বিশ্রামে রাখাও ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। নির্দিষ্ট পরিমাণ বোলিং ছাড়া কোনো পেসারকে টেস্ট ম্যাচে নামানো ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
হাবিবুল বলেন, ‘অনেকে মনে করতে পারেন, তাকে একেবারেই না খেলালেই ভালো হতো। কিন্তু ফাস্ট বোলারদের ক্ষেত্রে সেটিও সব সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। নির্দিষ্ট পরিমাণ বোলিং না করলেও চোটের ঝুঁকি থাকে। আবার অতিরিক্ত বোলিং করলেও ঝুঁকি বাড়ে। তাই তাকে নির্ধারিত মাত্রায় খেলানো হয়েছে। দুর্ভাগ্যজনকভাবে চোটটি তখনই এসেছে। একই চোট অস্ট্রেলিয়াতেও হতে পারত। একজন পেসারের শতভাগ চোটমুক্ত রাখা বাস্তবে খুব কঠিন।’
নাহিদের ওয়ার্কলোড পর্যালোচনা করেই খেলানো হচ্ছে বলে দাবি এই প্রধান নির্বাচকের, ‘নাহিদ রানা-তাসকিন আহমেদ-শরিফুল ইসলাম-মোস্তাফিজুর রহমান কিংবা তাওহীদ হৃদয়; প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই মেডিকেল বিভাগ ওয়ার্কলোড ব্যবস্থাপনা করে সিদ্ধান্ত নেয়। এখন জিপিএস প্রযুক্তির মাধ্যমে খেলোয়াড়দের প্রতিটি মুভমেন্ট ও বোলিংয়ের পরিমাণ পর্যবেক্ষণ করা হয়। শুধু নাহিদ নন, সব পেসারের ক্ষেত্রেই এটা অনুসরণ করা হয়।’
তবে নাহিদ অস্ট্রেলিয়া সিরিজে না পাওয়া দলের জন্য বড় ধাক্কা বলে স্বীকার করেন বাশার, ‘নাহিদ রানা বিশেষ মানের একজন বোলার। বিশ্ব ক্রিকেটেও তার মতো গতির বোলার খুব বেশি নেই। তাকে না পাওয়া অবশ্যই বড় ধাক্কা। তবে কোনো দলই সব সময় সেরা খেলোয়াড়দের পায় না। সর্বশেষ অ্যাশেজেও অস্ট্রেলিয়া প্যাট কামিন্সকে ছাড়াই খেলেছে। আমাদেরও সামনে তাকাতে হবে।’