পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি ও গুণগত মান আরও উন্নত করতে পরিচালক নিয়োগ, তাদের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং একটি আধুনিক প্রকল্প পরিচালক নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
বুধবার (২৯ জুলাই) সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় সরকার এবং পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের চলমান এবং এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত অননুমোদিত নতুন প্রকল্প নিয়ে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে ছিলেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এ সময় স্থানীয় সরকার এবং পরিকল্পনা কমিশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নিয়মিত পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্প পুনর্বিন্যাস ও সংশোধনের মাধ্যমে সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার এবং কর্মপরিকল্পনার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়ন পরিকল্পনায় দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি এবং উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় ঘটাতে হবে।
প্রকল্পসমূহকে বিষয়ভিত্তিক ক্লাস্টারে অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে জোনায়েদ সাকি বলেন, এতে পৃথক পৃথক প্রকল্পের পরিবর্তে সমন্বিত কর্মসূচির ভিত্তিতে মূল্যায়ন, তদারকি ও ফলাফল পরিমাপ করা সহজ হবে এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ হবে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন খাতে বহু সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা কাজ করছে। তাই অংশীজনদের মধ্যে কার্যকর সমন্বয় জোরদার করতে হবে, যাতে সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত হয়। গ্রামের মানুষকে মূলধারার অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে পারলেই প্রকৃত অর্থে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে।
সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. শহীদুল হাসান, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সচিব মোহাং শওকত রশীদ চৌধুরী, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের সদস্য, দুই বিভাগের সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিবসহ মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা কমিশন এবং অধীনস্থ সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।