রাজশাহীতে দু’দিন পর পদ্মায় ভেসে উঠল বাবা-ছেলের মরদেহ

রাজশাহীর পদ্মা নদীতে নৌকাডুবির দুইদিন পর বাবা কাওসার আলী (৬০) ও ছেলে জিয়ারুল ইসলামের (৩০) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০) স্থানীয়রা মরদেহ ভাসতে দেখে। পরে তাদের উদ্ধার করা হয়। পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে তাদরে মরদেহ দাফন করা হয়।

এর আগে গত মঙ্গলবার দুপুরে রাজশাহী নগরের বড়কুঠি এলাকায় কাওসার আলীর ইঞ্জিনচালিত নৌকাটি পদ্মায় ডুবে যায়। চর থেকে ঝাউগাছ কেটে নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি। এ নৌকায় কাওসার আলীর স্ত্রী জাহেরা বেগম ও তাদের ছেলে কাউসার আলীসহ মোট ৮ জন যাত্রী ছিলেন। নৌকা ডুবে যাওয়ার পর তারা পানিতে ভেসে যান। অন্য একটি নৌকা নিয়ে গিয়ে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে। তবে, বাবা ও ছেলে পানিতে তলিয়ে যায়।

কাউসার ও জিয়ারুরের বাড়ি রাজশাহীর কাটাখালী থানার শ্যামপুর বালুঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর পাড়েই। নদীর চর থেকে ঝাউগাছ ও খড় কেটে এনে বিক্রি করতেন তারা। গত মঙ্গলবার দুপুরে মধ্যচর থেকে ঝাউগাছ কেটে ফেরার পথে নগরীর বড়কুঠি ঘাটের পাশে প্রচন্ড ঢেউয়ে নৌকাডুবির ঘটনা ঘটে। এরপর কাওসার ও তার ছেলে জিয়ারুলকে পাওয়া যায়নি।

নিহতের স্বজনেরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বাংলাবাজার এলাকায় পদ্মা নদীতে কাওসার আলীর মরদেহ ভেসে ওঠে। স্থানীয়দের মাধ্যমে তারা এ খবর পান। পরে দুপুরে ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে রাজশাহীর তালাইমারী এলাকায় ছেলে জিয়ারুলের মরদেহও ভেসে ওঠে।