আবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সাফ সভাপতি সালাউদ্দিন

দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাউথ এশিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের (সাফ) সভাপতি হিসেবে পঞ্চমবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক তারকা ফুটবলার কাজী সালাউদ্দিন। শনিবার ভুটানের থিম্পুতে অনুষ্ঠিত সাফ কংগ্রেসে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নতুন মেয়াদের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন। একই সভায় ফিফার নিষেধাজ্ঞায় থাকা নেপালকে আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় বেঁধে দিয়েছে সাফ। এর মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হলে আসন্ন সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতে পারবে না দেশটি।

২০০৮ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পরের বছর প্রথমবার সাফের সভাপতির দায়িত্ব নেন সালাউদ্দিন। এরপর টানা এই পদে দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি। সাফের আগের গঠনতন্ত্রে সভাপতির মেয়াদ দুইবার এবং ৭০ বছরের বেশি বয়সীদের নির্বাহী কমিটিতে থাকার সীমাবদ্ধতা থাকলেও গত বছর গঠনতন্ত্র সংশোধনের মাধ্যমে সেই বিধান বাতিল করা হয়। ফলে তাঁর পুননির্বাচনের পথ অনেকটাই সহজ হয়ে যায়।

এবারের নির্বাচনে কাজী সালাউদ্দিন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সমর্থন নেননি। দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতায় বর্তমান বাফুফে কমিটির পক্ষে তাঁকে সমর্থন দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই নেপাল ও ভুটান ফুটবল ফেডারেশনের প্রস্তাব ও সমর্থন নিয়েই সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দেন তিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন পর্যন্ত আর কোনো প্রার্থী না আসায় তাঁর পুননির্বাচন কার্যত নিশ্চিত হয়।

কংগ্রেসে বাফুফের সহসভাপতি সাব্বির আহমেদ আরেফ সাফের নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। বিকেলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ড্র। তবে ফিফার নিষেধাজ্ঞার কারণে নেপাল আপাতত ড্রয়ের বাইরে রয়েছে। সাফ জানিয়েছে, সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হলে নেপাল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে পারবে। সে ক্ষেত্রে স্বাগতিক বাংলাদেশ যে গ্রুপে থাকবে, সেই গ্রুপেই নেপালকে রাখা হবে। অন্যথায় দলটি এবারের আসরে খেলতে পারবে না।