সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আলোচনায় আসা ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) এখন দেশজুড়ে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছে। সংগঠনটির মুখপাত্র সৌরভ দাস বলেছেন, আপাতত রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের পরিকল্পনা নেই। বরং দেশের প্রতিটি জেলায় সংগঠন বিস্তার করে যুবসমাজের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য।
নয়াদিল্লিতে এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ দাস বলেন, বেকারত্ব, মূল্যবৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা ও শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে গ্রামাঞ্চল পর্যন্ত পৌঁছাতে চায় সিজেপি। এ লক্ষ্য সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন স্থানে জনসভা ও গণশুনানির আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হওয়া একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রচার পরে ছাত্র আন্দোলনে রূপ নেয়। সাম্প্রতিক বিক্ষোভে প্রশ্নফাঁস ও শিক্ষা ব্যবস্থার অনিয়মের বিরুদ্ধে সরব হয় সিজেপি। সংগঠনটির দাবি, এ আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শুক্রবার এক ভিডিও বার্তায় আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার পরিবর্তে সংযম ও সহনশীলতার আহ্বান জানান। তাঁর মতে, আদালত বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা একমাত্র সমাধান নয়।
অন্যদিকে, বিক্ষোভ চলাকালে দিল্লি পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগে একটি ডিজিটাল প্রমাণ সংগ্রহ প্ল্যাটফর্ম চালু করেছে সিজেপি। সংগঠনটির দাবি, সেখানে ইতিমধ্যে শতাধিক ছবি, ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা জমা পড়েছে।
এদিকে বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী সংসদে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপের বিষয়ে প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের জবাবদিহি দাবি করেছেন। সিজেপির ভাষ্য, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় কোনো মন্ত্রীই জবাবদিহির ঊর্ধ্বে নন। জনগণের স্বার্থে সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করাই তাদের ভবিষ্যৎ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।