জুলাই জাদুঘর উদ্বোধন ৫ আগস্ট, পরদিন দর্শনার্থী প্রবেশ

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাবেক সরকারি বাসভবন গণভবনে নির্মিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর আগামী ৬ আগস্ট থেকে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার (১ আগস্ট) জাদুঘরের কিউরেটর জোহান জানান, আগামী ৫ আগস্ট আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। পরদিন থেকেই দর্শনার্থীরা জাদুঘর পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন।

তিনি বলেন, উদ্বোধনকে সামনে রেখে চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। বর্তমানে জাদুঘরের প্রদর্শনী ও অভ্যন্তরীণ কনটেন্ট পরীক্ষামূলকভাবে সাজানো হচ্ছে। একই সঙ্গে শহীদদের স্মৃতিচিহ্ন, রক্তমাখা পোশাক, ব্যানার, প্ল্যাকার্ড, আলোকচিত্র ও ভিডিওচিত্র সংগ্রহের কাজ অব্যাহত রয়েছে।

স্থায়ী জনবল নিয়োগের বিষয়ে কিউরেটর জানান, আপাতত জাতীয় জাদুঘর ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অভিজ্ঞ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জাদুঘরের কার্যক্রম পরিচালনা করবেন। পূর্ণাঙ্গ জনবল নিয়োগ পরে সম্পন্ন হবে।

জাদুঘর নির্মাণে বাজেট ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা মোশফিকুর রহমান বলেন, অভিযোগগুলোর মূল্যায়ন শুরু হয়েছে। জাতীয় জাদুঘরের মূল্যায়ন প্রতিবেদন ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের (পিডব্লিউডি) কাজের বিবরণ মিলিয়ে দেখা হয়েছে। তাঁর দাবি, অধিকাংশ অভিযোগ তথ্যগত বিভ্রান্তি থেকে এসেছে। সরকারি নিরীক্ষার মাধ্যমে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর গণভবনকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জাদুঘরে জুলাই অভ্যুত্থানের ইতিহাসের পাশাপাশি গত ১৭ বছরের আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে দমন-পীড়নের বিভিন্ন দলিল ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। দর্শনার্থীদের জন্য গাইডেড ট্যুর ও অনলাইন টিকিটিংয়ের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে।