পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পবিপ্রবি) ১১ শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী ও শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৫ আগস্ট) উপাচার্যের অনুমোদনক্রমে রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক মোহাম্মদ জামাল হোসেন স্বাক্ষরিত জরুরি নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়।
নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ নামের একটি সংগঠন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতৃত্বাধীন রাষ্ট্রবিরোধী অনলাইন তৎপরতার অংশ হিসেবে মানবতাবিরোধী মামলার আসামি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার দাবিতে দেশের সংবিধান, আইন, বিচারিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অভিযোগে অভিযুক্ত। ইতোমধ্যে অভিযুক্ত শিক্ষকদের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া, চাকরি থেকে অপসারণসহ বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থাও নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই সংগঠনের ব্যানারে শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিগ্রাম, ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে বৈঠকে অংশ নেওয়া ১১ শিক্ষক পবিপ্রবি আইন অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আচরণ ও শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধান লঙ্ঘন করেছেন।
এছাড়া নোটিশে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সংবিধান, আইন-বিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, শান্তি-শৃঙ্খলা ও গণতান্ত্রিক পরিবেশ সমুন্নত রাখতে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়।