তবলার তাল আর মঞ্চের আলো থেকে রূপালি পর্দায়। নিজের অভিনয়ের ছাপ রেখে যাচ্ছেন শিল্পী ধ্রুব জ্যোতি দে। থিয়েটারের শক্ত ভিত আর ওটিটির কাশেম চরিত্রের সাফল্য পেরিয়ে এবার বড় পর্দায় আসছেন এই অভিনেতা। সাম্প্রতিক ব্যস্ততা নিয়ে কথা হয় তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন অপূর্ব কুমার কুন্ডু
সিলেটের তারাপুর চা বাগানের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য থেকে আজকের এই অভিনয় যাত্রা, কীভাবে শুরু হলো?
একদম ছোটবেলা থেকেই সুরের আবহে বেড়ে ওঠা। গুরু অনু দে ও পিনু দাসের কাছে তবলার তালিম এবং রবীন্দ্রসংগীতের চর্চা দিয়েই শিল্পে আমার হাতেখড়ি। পরবর্তী সময় নান্দিক নাট্যদলের মাধ্যমে মঞ্চে অভিনয় শুরু করি।
‘নবশিখা নাট্যদল’ গঠনের পেছনের গল্প ও আপনার মঞ্চের দিনগুলোর কথা জানতে চাই।
নিজের মতো করে থিয়েটার চর্চার তাগিদ থেকেই ২০০৫ সালে মৌসুমী চৌধুরী মৌ-কে সঙ্গে নিয়ে নবশিখা নাট্যদল গড়ে তুলি। ‘বিলাসী’ নাটকের খুড়ো চরিত্রটি আমাকে মোটামুটি ভালো পরিচিতি এনে দেয়। এ ছাড়া ‘সাত কইন্যার কাহান’ ও ‘যোদ্ধাবাজ’ নাটকগুলো অভিনেতা হিসেবে আমাকে তৃপ্তি দিয়েছে।
সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজের স্বীকৃতি হিসেবে সিলেট বিভাগে ‘ধ্রুবতারা ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন, অনুভূতির জায়গাটা কেমন?
সঠিক মূল্যায়ন সবসময়ই কাজের তাগিদ ও দায়িত্ব বাড়িয়ে দেয়। এই স্বীকৃতি আমার কাজের প্রতি আরও দায়বদ্ধতা তৈরি করেছে।
ওটিটিতেও আপনার যাত্রা শুরু হয়েছে। ‘তাজমহল’ ওয়েব-ফিল্মের কাশেম চরিত্রটি নিয়ে দর্শকদের সাড়া কেমন পেলেন?
২০২৫-এ বিকাশ-এর বিজ্ঞাপন দিয়ে মিডিয়ায় পা রাখি। এরপর ওয়াহিদ আনাম নির্মিত ‘তাজমহল’-এর কাশেম চরিত্রটির জন্য প্রচুর প্রশংসা পাই। দর্শকরা যে এভাবে গ্রহণ করবেন, ভাবিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা, শিগগির নতুন কোনো কাজ?
ইতিমধ্যে আরও দুটি সিনেমার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছি, যেগুলোর শুটিং আগস্টের মাঝামাঝি শুরু হচ্ছে। চ্যালেঞ্জিং চরিত্রেই নিজেকে খুঁজে পাই। ভালো ভালো কাজ দিয়ে দর্শক হৃদয়ে জায়গা করে নিতে চাই।