অস্ট্রেলিয়ায় টপ এন্ড টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে যাওয়ার আগে প্রস্তুতিটা বেশ ভালোই হচ্ছে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের। আজ মিরপুরে মালয়েশিয়া জাতীয় দলের বিপক্ষে ২ ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ৮৯ রানের বড় জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। অধিনায়ক মেহেরব হোসেন অহীনের সঙ্গে আব্দুল গাফফার সাকলাইনের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ের সৌজন্যে ১৫৮ রান করে বাংলাদেশ। জবাব দিতে নেমে মোহাম্মদ রুবেল, রাকিবুল হাসানদের বোলিং তোপে মাত্র ৬৯ রানে থামে সফরকারী ইনিংস।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা ইমার্জিংয়ের হয়ে ইনিংস শুরু করেন জিসান আলম ও জাওয়াদ আবরার। তবে রানের খাতা খোলার আগেই আউট হন জিসান। অন্যপ্রান্তে আক্রমণাত্মক ছিলেন জাওয়াদ। মালয়েশিয়ার বোলারদের ওপর চড়াও হয়ে দ্রুত রান তুলে যাচ্ছিলেন এই ওপেনার। ১৮ বলে ২৮ রান করেন তিনি। এরপর আরিফুল ইসলাম ১২ বলে ১৫ রান করে বিদায় নেন। সাব্বির রহমানের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হন প্রীতম কুমার। প্রত্যাবর্তন রাঙানোর সুযোগ পান সাব্বিরও। তিনিও ১৪ রান করে আউট হন। দ্রুত বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়ে মন্থর হয়ে যায় রান তোলার গতি। এরপর সাকলাইন ও অহীন ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন। ৩টি ছক্কা ও ১টি চারের সাহায্যে ২৬ বলে ৩২ রান করে থামেন সাকলাইন। আবু হায়দার রনি ও রাকিবুলও সুবিধা করতে পারেননি। শেষদিকে দ্রুত রান তুলে দলের স্কোর দেড়শ ছাড়িয়ে নেন অহীন। ২২ বলে ৪০ রানের আক্রমণাত্মক ইনিংস খেলেন এইচপি দলের অধিনায়ক।
লক্ষ্য তাড়ায় শুরুতেই হতাশ করেন মালয়েশিয়ার হয়ে খেলা বাংলাদেশের খুলনার ছেলে নাজমুল সাকিব। ইনিংসের প্রথম বলেই তাকে ফিরিয়ে ধাক্কা দেন রনি। এরপর নিয়মিত উইকেট হারায় সফরকারীরা। আরেক ওপেনার আসলাম খান বিন মালিকও আউট হন শূন্য রানে। তিনে নামা আহমেদ আকীল ওয়াহিদ কিছুটা লড়াই করেন। ২৫ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। এই পর্যায়ে ১০ রানের মধ্যে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে মালয়েশিয়া। এরপর দলের হাল ধরেন মোহাম্মদ আমির আজিম এবং বিজয় উনি। ১৫ বলে ১৪ রান করা বিজয়কে থামান সাকলাইন। ২২ বলে ১৫ রান করা আজিমকে আউট করেন রুবেল। ৬৩ রানের মধ্যে ৮ উইকেট হারিয়ে হারের প্রহর গুণতে শুরু করে মালয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৬৯ রান তুলে অলআউট হয় তারা। বাংলাদেশের হয়ে ২টি করে উইকেট নেন রাকিবুল হাসান এবং মোহাম্মদ রুবেল।