কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে ফলাফলের দিক থেকে শীর্ষ স্থান দখল করেছে ফেনী জেলা। প্রকাশিত ফলাফলে কুমিল্লা বোর্ডে পাশের হার ৬৫.৪২, আর ফেনীতে পাশের হার ৭২.৬২ ভাগ।
এদিকে ফেনীতে গার্লস ক্যাডেট কলেজে ৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৫ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ফেনী জেলা পর্যায়ে শীর্ষ স্থানে থাকা শতভাগ পাশের এ প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লা বোর্ডে সেরা তালিকায় এবারও স্থান পেয়েছে।
কুমিল্লার শিক্ষা বোর্ড থেকে প্রকাশিত ফলাফল বিবরণীতে দেখা যায়, ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় ফেনীর ১৮৯টি কলেজ থেকে ২১টি পরীক্ষা কেন্দ্রে ১৪ হাজার ৯০০ জন অংশ নেয়। তন্মধ্যে ১০ হাজার ৮২১ জন কৃতকার্য এবং ৪ হাজার ৭৯ জন অকৃতকার্য হয়। জেলায় জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ১৩৯ জন। পাশের হার ৭২ দশমিক ৬২ ভাগ।
এদিকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের আওতায় ৬টি জেলায় পাশের হারে প্রতিবেদনে দেখা যায়, পাশের হার ৭২ দশমিক ৬২ পেয়ে বোর্ড পর্যায়ে শীর্ষে রয়েছে ফেনী। বাকি জেলাগুলোর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় পাশের হার ৭১.৫০, কুমিল্লা জেলায় পাশের হার ৬৪.৭৮, লক্ষ্মীপুর জেলায় পাশের হার ৬৩.৯১, চাঁদপুর জেলায় পাশের হার ৬৩.৬৩। কুমিল্লা বোর্ডে পাসের হারে সর্বনিম্ন নোয়াখালীতে ৫৯.৯৮ ভাগ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ফেনীতে গার্লস ক্যাডেট কলেজের অধ্যক্ষ এস এম ফয়সল পিএসসি জানান, চমৎকার এই ফলাফলের পেছনে সেনাসদরের সঠিক নির্দেশনা, কলেজ প্রশাসনের সময়োপযোগী উদ্যোগ, অনুষদ সদস্যদের আন্তরিক পাঠদান ও প্রেরণা এবং ক্যাডেটদের অবিরাম অধ্যবসায়কে প্রধান কারণ।
অধ্যক্ষ আরও জানান, ক্যাডেট কলেজে অনুসরণকৃত শৃঙ্খলা, কঠোর অনুশাসন ও যুগোপযোগী শিক্ষাদান পদ্ধতির ফলেই ক্যাডেটরা প্রতি বছর একাডেমিকে দৃষ্টান্তমূলক ফল করে আসছে। নিয়মানুবর্তিতা ও অধ্যবসায় থাকলে অল্প সময়ের পাঠপরিক্রমাতেও বড় অর্জন সম্ভব, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠার পর থেকে কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অন্যতম সেরা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সেটিই প্রমাণ করে আসছে।
ফেনী জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, কুমিল্লা বোর্ডে ফেনীর শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে ভালো ফলাফল করেছে। বিষয়টি অবশ্যই ফেনীবাসীর জন্য সুখবর এবং আমাদের জন্য আনন্দের। আমরা চাই এসব শিক্ষার্থী ব্যক্তিগত জীবনেও ফেনীবাসীর জন্য ভালো ফলাফল বয়ে আনবে। তাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ ও সমৃদ্ধ জীবন কামনা করছি।