রিমঝিম চরিত্রটি আমার ভীষণ ভালো লাগে

অভিনেত্রী মিম চৌধুরী সম্প্রতি যুক্ত হয়েছেন ধারাবাহিক নাটক ‘ম্যানেজ মাস্টার’-এ। বর্তমান ব্যস্ততা ও সহশিল্পীদের সঙ্গে কাজের রসায়ন নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন- তারেক আনন্দ

আজকাল আপনাকে একক নাটকেই বেশি দেখা যায়। ধারাবাহিক নাটক এড়িয়ে চলার কারণ কী?

আসলে এ সময়ে খ- নাটকের ব্যস্ততা আর চাপের কারণে চাইলেও ধারাবাহিকে সময় দেওয়া সম্ভব হয় না। মোশাররফ করিম ভাই ও তন্ময় সোহেলের সঙ্গে শিডিউল মিলিয়ে প্রচুর কাজ করতে হচ্ছে। যার ফলে ধারাবাহিকের অনেক ভালো প্রস্তাবও বিনয়ের সঙ্গে ফিরিয়ে দিতে হচ্ছে।

এত প্রস্তাবের ভিড়ে ‘ম্যানেজ মাস্টার’ ধারাবাহিকে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন কীভাবে?

এর মূল কৃতিত্ব পরিচালক সঞ্জিত সরকার দাদার। তার নির্মিত নাটকের কথা আগেই জানতাম। যখন তিনি আমাকে গল্প শুনিয়ে ‘রিমঝিম’ চরিত্রের কথা বললেন, গল্প ও চরিত্র  আমার ভীষণ ভালো লাগে। পরিচালকের আগ্রহ আর চরিত্রের গভীরতাই মূলত আমাকে এতে রাজি করায়।

নাটকটি ২০০ পর্ব পেরিয়ে গেছে। মাঝপথে এসে একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিকে যুক্ত হয়ে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

অভিজ্ঞতা চমৎকার! ভালো না লাগলে তো এত দূর আসা নাটকে যুক্ত হতাম না। বর্তমানে দ্বিতীয় লটের শুটিং চলছে। সঞ্জিত দাদা যেমন চমৎকার লেখেন ও পরিচালনা করেন, মানুষ হিসেবেও মাটির মানুষ। পুরো ইউনিটের দারুণ আন্তরিকতা আমাকে মুগ্ধ করেছে।

ছোট পর্দায় এখন মোশাররফ করিম ও তন্ময় সোহেলের সঙ্গেই আপনার জুটি বেশি দেখা যাচ্ছে...

হ্যাঁ, এ সময়ে তাদের দুজনের সঙ্গেই বেশি কাজ করা হচ্ছে। দর্শকরাও আমাদের জুটিগুলো বেশ ভালোভাবে গ্রহণ করছেন। তাদের সঙ্গে টাইমিং ও বোঝাপড়া দারুণ হওয়ায় কাজগুলো বেশ উপভোগ করছি।

অভিনয়ের বাইরে আপনাকে

অন্য মাধ্যমেও দেখা যায়। বর্তমান অন্যান্য ব্যস্ততাগুলো জানতে চাই...

নাটকের পাশাপাশি গ্লোবাল টিভিতে ‘গ্লোবাল মিউজিক’ নামের সরাসরি গানের অনুষ্ঠান নিয়মিত উপস্থাপনা করছি। এ ছাড়া বিশেষ অনুষ্ঠানগুলোতে নাচ পরিবেশন তো রয়েছেই। সম্প্রতি ‘বাবার শেষ উপহার’, ‘পোড়াকপালি বউ’ ও ‘অশিক্ষিত ভাই’ নাটকগুলো থেকেও দারুণ সাড়া পেয়েছি।