রাজধানীর কমলাপুর স্টেডিয়ামে আজ দ্বিতীয় বিভাগ ফুটবল লিগে যাত্রাবাড়ী ঝটিকার বিপক্ষে গুরুতর চোট পেয়েছেন এক খেলোয়াড়। মাঠে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় চোট পাওয়া খেলোয়ার পুর্বাচল পরিষদের সোহানকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে। পরে জানা গেছে, তাঁর পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
ঘটনাটি ঘটে ম্যাচ চলাকালে। খেলার মধ্যে গুরুতর চোট পান সোহান নামের ওই ফুটবলার। চোটের পর তিনি মাঠেই কাতরাতে থাকেন। পরিস্থিতি গুরুতর হলেও তাৎক্ষণিকভাবে মাঠে কোনো অ্যাম্বুলেন্স পাওয়া যায়নি। পরে সতীর্থ ও সংশ্লিষ্টরা তাঁকে ধরাধরি করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
একজন খেলোয়াড় মাঠে গুরুতর চোট পাওয়ার পর দ্রুত চিকিৎসা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো চোটে দ্রুত ও নিরাপদভাবে হাসপাতালে নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু কমলাপুর স্টেডিয়ামের মতো দেশের অন্যতম প্রধান ফুটবল ভেন্যুতে অ্যাম্বুলেন্স না থাকায় প্রশ্ন উঠেছে ম্যাচ আয়োজনের চিকিৎসা ও নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে।
সোহানের সতীর্থরা জানিয়েছেন, দিনটি তাদের দলের জন্য আনন্দের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মাঠের একটি দুর্ঘটনা মুহূর্তেই সেই আনন্দকে বিষাদে পরিণত করেছে।
সতীর্থদের ভাষায়, দলের জন্য সবসময় নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করেন সোহান। মাঠে তাঁর দৌড়, লড়াই আর হাসিমুখ সতীর্থদের কাছে পরিচিত দৃশ্য। সেই খেলোয়াড়টিই এখন গুরুতর চোট নিয়ে হাসপাতালের বিছানায়।
সোহানের সতীর্থরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে এমন ঘটনায় ভবিষ্যতে মাঠে জরুরি চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে।
ফুটবলে চোট পাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু মাঠে একজন খেলোয়াড় গুরুতর আহত হলে দ্রুত চিকিৎসা ও হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা থাকা অপরিহার্য। একটি অ্যাম্বুলেন্সের অনুপস্থিতি যেন কোনো খেলোয়াড়ের জন্য আরও বড় বিপদের কারণ না হয়—এটাই এখন সংশ্লিষ্টদের সামনে বড় প্রশ্ন।