ভারতের গোয়ায় অনুষ্ঠিত নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তদন্তাধীন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কর্মকর্তা খালিদ মাহমুদ নওমীকে এবার এশিয়ান গেমসে নারী ফুটবল দলের ম্যানেজার হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সাফের তোলা অভিযোগের তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। এর মধ্যেই জাপানের আইচি-নাগোয়ায় অনুষ্ঠেয় এশিয়ান গেমসের জন্য তার নাম বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনে (বিওএ) পাঠিয়েছে বাফুফে।
নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালেই নওমির বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ এনে বাফুফেকে চিঠি দিয়েছিল দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা সাফ। টুর্নামেন্ট শেষে জুনের শুরুতে বিষয়টি তদন্তে তিন সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করে বাফুফে। কমিটির নেতৃত্বে রয়েছেন নির্বাহী সদস্য কামরুল ইসলাম হিলটন। সাত কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার কথা থাকলেও প্রায় দুই মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা হয়নি।
কমিটির আরেক সদস্য অতিরিক্ত সচিব আতিকুর রহমান জানিয়েছেন, প্রায় এক মাস আগে তদন্ত কমিটির একটি সভা হয়েছিল। তবে সেই সভার কার্যবিবরণী পাওয়ার জন্য এখনো অপেক্ষা করছেন তিনি। কমিটির কার্যক্রমে অগ্রগতি না থাকায় তদন্তের নিরপেক্ষতা ও কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে নারী দলের ম্যানেজারকে ঘিরে তদন্তের পাশাপাশি মালদ্বীপে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের খেলোয়াড়দের শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেও বাফুফে তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। সেই কমিটি অবশ্য প্রতিবেদন প্রস্তুত করেছে। কমিটির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন চৌধুরী জানিয়েছেন, খেলোয়াড় ও ম্যানেজারের বক্তব্য এবং ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে তারা দুই বাংলাদেশি খেলোয়াড়ের দোষ পেয়েছেন। একই সঙ্গে মালদ্বীপেরও দায় রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।