সাগরে অবৈধ ৫০ ফিশিং ট্রলার তল্লাশি, ২৪ জেলের কারাদণ্ড

নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে যৌথ অভিযান চালিয়ে চট্টগ্রামের বঙ্গোপসাগরের বহির্নোঙরে অবৈধভাবে অবস্থানরত ৫০টি ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ জেলেকে আটক করেছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ড। এসময় তাদেরকে ৩০ দিন করে কারাদণ্ড দেন বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট। 

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে এতথ্য নিশ্চিত করে কোস্টগার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, দেশের সমুদ্র বন্দর, উপকূলীয় ও নদীতীরবর্তী অঞ্চলের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে বুধবার (১২ আগস্ট) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত সাগরের বহির্নোঙরে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানকালে চট্টগ্রাম বহির্নোঙর ও কর্ণফুলী চ্যানেলে বাণিজ্যিক জাহাজ ও লাইটারের নিরাপদ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও বাণিজ্যিক জাহাজে ছিঁচকে চুরি প্রতিরোধে বহির্নোঙরে অবস্থানরত ফিশিং ট্রলার ও অবৈধভাবে স্থাপন করা বিভিন্ন ধরনের জাল জব্দ করা হয়। এসব অবৈধ জালের কারণে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসময় বহির্নোঙরে অবৈধভাবে অবস্থানরত ৫০টির অধিক ফিশিং ট্রলারে তল্লাশি চালিয়ে ২৪ জন জেলেকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট ৩০ দিন করে কারাদণ্ড দেন।

লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান, চট্টগ্রাম বন্দর ও এর বহির্নোঙরে দেশি-বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ ও লাইটারের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত, বাণিজ্য ও নৌপথ সচল রাখা এবং ছিঁচকে চুরি ও অবৈধ জাল স্থাপনসহ যে কোনো অপতৎপরতা প্রতিরোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড সংশ্লিষ্ট সংস্থাসমূহের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে জিরো টলারেন্স নীতিতে নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

অভিযানে কোস্টগার্ডের টহলরত জাহাজ বিসিজিএস সোনাদিয়া, উচ্চগতিসম্পন্ন একাধিক বোট ও চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের দিশারী-৭ অংশ নেয়। এ সময় কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনীর আভিযানিক দল ও বন্দর ম্যাজিস্ট্রেট উপস্থিত ছিলেন।