সিলেটে স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার

সিলেট শহরের একটি বাসায় স্বামী-স্ত্রী ও গৃহকর্মী হত্যার ঘটনায় ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে বাসার পাশের একটি খালি জায়গা থেকে ছুরিটি উদ্ধার করা হয়।

এবিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (উত্তর) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান, তিন খুনের ঘটনায় আটক একমাত্র সন্দেহভাজন বাবুল মিয়াকে (৪০) জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ছুরিটি উদ্ধার করা হয়। ছুরিটিতে রক্তের দাগ আছে। সেটার ফরেনসিক পরীক্ষা হবে। হত্যাকাণ্ডস্থল থেকেও আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। সেগুলো মিলিয়ে দেখা হবে।

বুধবার (১২ আগস্ট) সকালে রায়নগরের মিতালী ১১১নম্বর বাসা থেকে তিনটি মরদেহ উদ্ধার করে মহানগর পুলিশ। তারা হলেন বাড়ির মালিক আব্দুস সাত্তার (৯০), তার স্ত্রী সুরাইয়া বেগম (৭৬) ও তাদের গৃহকর্মী  তাহমিনা (১৮)। নিহত আব্দুস সাত্তার সিলেট চেম্বার অব কমার্সের সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি রায়নগরে নিজের বাসায়ই থাকতেন। এই দম্পত্তির চার সন্তারে মধ্যে দুই সন্তান লন্ডনে ও দুই সন্তান আমেরিকায় থাকেন।

মামলার বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, এখন পর্যন্ত মামলা রুজু হয়নি। আমরা যতটুকু শুনতে পেরেছি, উনার সন্তানরা প্রবাসে রয়েছেন, তারা অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশে আসবেন। তারা তাদের আইনজীবী ও আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে কথা বলছেন। আশা করি, অল্প সময়ের মধ্যে তারা একটি এজাহার দেবেন। আমরা সেটি মামলা হিসেবে নেব।

তিনি বলেন,  গৃহকর্মী তাহমিনা ও বাবুল মিয়ার মধ্যে সম্পর্কের বিষয়ে পুরোপুরি পরিষ্কার না। তবে বাবুল আমাদেরকে বলেছে, মেয়েটা তার মনে হয়ত কষ্ট দিয়েছে। তার এমন কোনো আচরণ এবং সেটার পরিপ্রেক্ষিতে সে কিন্তু বুধবার প্রস্তুতি স্বরূপ ছুরি নিয়ে এসেছে। তার বুকে অনেক ছুরিকাঘাত আছে। এটা কিন্তু একটা মানুষের প্রতি রাগের বহিঃপ্রকাশ।