আদিলের সেঞ্চুরিতে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে তিনে তিন যুবাদের

ব্যাট হাতে ঝড় তুলে সেঞ্চুরি করেছেন আদিল বিন সিদ্দিক, সঙ্গে ছিল খালিদ হাসান ও জাওয়াদ আবরারের কার্যকর ইনিংস। এরপর বল হাতে মালয়েশিয়ার ব্যাটিং লাইনআপকে গুঁড়িয়ে দিয়ে বড় জয় নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশের অনূর্ধ্ব-২৩ দল। সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সফরকারীদের ২৩৭ রানে হারিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে প্রতিপক্ষকে হোয়াইটওয়াশ করেছে যুবারা।

আজ বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে টস জিতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দল। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন দুই ওপেনার জাওয়াদ আবরার ও মঈনুল ইসলাম। ৩২ বলে ৫টি চার ও সমানসংখ্যক ছক্কায় ৫৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন জাওয়াদ। মঈনুলের ব্যাট থেকে আসে ৩০ রান। 

এরপর বাংলাদেশের ইনিংসকে টেনে নেন আদিল ও খালিদ। তৃতীয় উইকেটে দুজন মিলে যোগ করেন ১৭৫ রান। দ্রুত রান তুলতে থাকা খালিদ ৮৬ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৭৩ রান করে মালয়েশিয়ার অধিনায়ক সৈয়দ আজিজের বলে আউট হন। তবে অন্য প্রান্তে আরও বিধ্বংসী ছিলেন আদিল। দারুণ ব্যাটিংয়ে তুলে নেন সেঞ্চুরি। শেষ পর্যন্ত ১১১ বলে ১৪টি চার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ১৩৫ রান করে থামেন তিনি। তার সেঞ্চুরির ওপর ভর করেই বড় সংগ্রহের ভিত্তি পায় বাংলাদেশ। শেষ দিকে অধিনায়ক আহরার আমিন পিয়ান ও শেখ পারভেজ জীবন ছোট কিন্তু কার্যকর ইনিংস খেললে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ৩৬৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় বাংলাদেশের যুবারা

বড় লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরু থেকেই চাপে পড়ে মালয়েশিয়া। স্বাগতিক বোলারদের নিয়ন্ত্রিত আক্রমণের সামনে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে তারা। রাফিউজ্জামান রাফি ও রাহিন আহমেদের বোলিংয়ে প্রতিপক্ষের ব্যাটাররা রান তোলার সুযোগই পাননি। শেখ পারভেজ জীবনও গুরুত্বপূর্ণ সময়ে উইকেট তুলে নিয়ে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ আরও দৃঢ় করেন।

মালয়েশিয়ার ব্যাটিংয়ে উল্লেখযোগ্য কোনো জুটি গড়ে ওঠেনি। সর্বোচ্চ জুটি ছিল মাত্র ২৮ রানের। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২০ রান করেন অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ। শেষ পর্যন্ত ৩১ ওভার ৫ বলে মাত্র ১৩২ রানে গুটিয়ে যায় মালয়েশিয়ার ইনিংস। অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন রাফিউজ্জামান ও জীবন। দুজনই নিয়েছেন ৩টি করে উইকেট। রাহিন আহমেদের শিকার ২ উইকেট।