ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল ‘স্পাইডার-ম্যান’

নির্মাতাদের প্রত্যাশা পূরণ করে ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল সোনি ও মার্ভেলের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’। মুক্তি পাওয়ার মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় বিশ্বজুড়ে বক্স অফিসে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে দ্বিতীয় দ্রুততম আয়ের সিনেমার মর্যাদা পেল সিনেমাটি। হলিউড তারকা টম হল্যান্ড অভিনীত এই সুপারহিরো সিনেমাটি কেবল উত্তর আমেরিকার বাজার থেকেই আয় করেছে ৭৮৫ মিলিয়ন ডলার। আর আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ১.২৩ বিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে মুক্তির ২১ দিনের মাথায় সিনেমাটির মোট আয় দাঁড়িয়েছে ২.০২২ বিলিয়ন ডলারে। 

দ্রুততম সময়ে ২ বিলিয়ন ডলার ছোঁয়ার তালিকায় ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র আগে রয়েছে শুধু ‘অ্যাভেঞ্জার্স: এন্ডগেম’ (১১ দিন)। এই ঐতিহাসিক অর্জনের মাধ্যমে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে ‘এভাটার’, ‘টাইটানিক’, ‘স্টার ওয়ার্স: দ্য ফোর্স অ্যাওয়াকেন্স’ ও ‘অ্যাভেঞ্জার্স: ইনফিনিটি ওয়ার’-এর মতো সর্বকালের সেরা ক্লাসিকগুলোর পাশে। 

২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ফ্র্যাঞ্চাইজির আগের সিনেমা ‘নো ওয়ে হোম’ ১.৯ বিলিয়ন ডলার আয় করলেও চীন থেকে বঞ্চিত হওয়ায় ২ বিলিয়নের মাইলফলক ছোঁয়া সম্ভব হয়নি। এবার সেই আক্ষেপ ঘুচিয়ে দিল নতুন এই সিক্যুয়াল। গত জুলাইয়ে প্রেক্ষাগৃহে আসার পর থেকেই একের পর এক রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিচ্ছে সিনেমাটি। মুক্তির মাত্র ৬ দিনের মাথায় বিশ্বজুড়ে ১ বিলিয়ন ডলারের গণ্ডি পেরিয়েছিল এটি। ইতোমধ্যে এটি সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী ‘স্পাইডার-ম্যান’ সিনেমা, এই দশকের সর্বোচ্চ আয়কারী কমিক বুক মুভি এবং কোনো একক সুপারহিরোর ক্ষেত্রে ইতিহাসের প্রথম ২ বিলিয়ন ডলার আয় করা সিনেমা হিসেবে ইতিহাস গড়েছে। 

ডেস্টিন ড্যানিয়েল ক্রোটন পরিচালিত এই সিনেমাটিতে চার বছর আগের ‘নো ওয়ে হোম’-এর পর থেকে গল্প শুরু হয়। যেখানে ডক্টর স্ট্রেঞ্জের জাদুমন্ত্রের প্রভাবে এমজে ও বন্ধু নেড সহ পুরো পৃথিবী পিটার পার্কারকে ভুলে যায়। একাকী জীবনযাপনের মাঝেও নিউ ইয়র্ক শহরকে অপরাধমুক্ত রাখতে লড়ে যান পিটার। তবে হুট করেই এক রহস্যময় রূপান্তরের মুখোমুখি হন তিনি, যা পুরো পৃথিবীর অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে দেয়।