সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পূজার

চিত্রনায়িকা পূজা চেরি এক ব্যবসায়ীকে গোপনে বিয়ে করেছেন বলে জোর গুঞ্জন চলচ্চিত্র ও স্যোশাল মিডিয়ায়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমও প্রকাশ করছে একাধিক প্রতিবেদন। শেষমেশ বিষয়টি নিয়ে চরম বিরক্তি প্রকাশ করেছিন নায়িকা। গুঞ্জন উড়িয়ে দেয়ার পাশাপাশি ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশের জন্য প্রয়োজনে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে পূজা জানান, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি, গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আমার বিয়ে এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনো অমুক পেশার কারো সঙ্গে, কখনো অন্য কারো সঙ্গে নাম জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিউজ তৈরি করা হচ্ছে যা অত্যন্ত বিব্রতকর এবং দুঃখজনক।’ 

এর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারের প্রসঙ্গ টেনে অভিনেত্রী জানান, নিজের বিয়ের বিষয়টি নিয়ে তিনি আগেই পরিষ্কার বক্তব্য দিয়েছিলেন। তার ভাষ্য, ‘আমি আগেই একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেছিলাম, আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। আমি এটাও নিশ্চিত করেছিলাম যে, যখনই আমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে, আমি নিজেই তা প্রকাশ্যে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে সবাইকে জানাব। লুকানোর কিছু নেই।’ 

এবারের গুঞ্জন সরাসরি নাকচ করে পূজা চেরি বলেন, ‘বর্তমানে আমি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছি, নতুন কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি এবং সেই কারণেই ক্যামেরার সামনে অনুপস্থিত। কিন্তু কোনো তথ্য যাচাই না করে বারবার আমাকে জড়িয়ে এভাবে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করার পেছনে উদ্দেশ্য কী, তা আমার বোধগম্য নয়। আমার এখনো বিয়ে হয়নি। যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।’ 

নিজের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও আইনি অধিকার প্রসঙ্গেও সতর্ক করে পূজা বলেন, ‘সবাইকে স্মরণে করিয়ে দিতে চাই, অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এবং কোনো নাগরিককে নিয়ে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।’ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে অভিনেত্রী দাবি করেন, প্রত্যেক নাগরিকের আইনি সুরক্ষা এবং ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা ও সুনাম রক্ষার অধিকার রয়েছে। পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।