বেনামি, নামবিহীন বা ঠিকানাবিহীন দরখাস্তের ভিত্তিতে কোনো ধরনের অনুসন্ধান বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশনা দিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।
বিমান নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ১৯৯৩ সালের একটি পরিপত্রকে উদ্বৃত করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রশাসন ও মানবসম্পদ পরিদপ্তর এ সংক্রান্ত একটি আদেশ জারি করে।
আদেশে ধরনের দরখাস্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়তে থাকায় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অহেতুক জটিলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
এতে স্বাক্ষর করেছেন পরিচালক প্রশাসন ও মানবসম্পদ (অতিরিক্ত দায়িত্ব) সৈয়দ মইন উদ্দিন আহমেদ।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে বেনামি, নামবিহীন বা ঠিকানাবিহীন দরখাস্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হয়রানি করা এবং প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে অহেতুক জটিলতা ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করাই এ সব দরখাস্তের প্রকৃত উদ্দেশ্য। দরখাস্তে যদি সুনির্দিষ্ট বিষয় বা ঘটনা, ঘটনার সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির নাম, প্রমাণ সংবলিত কাগজাদি ইত্যাদি উল্লেখ থাকে, তাহলে এ ধরনের অভিযোগ তদন্তযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।