দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাটিং বিপর্যয়ে বাংলাদেশ

ঘুরে দাঁড়ানোর ইনিংসেও ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ। গ্রিন-লায়নের ব্যাটিং দৃঢ়তায় দেড়শ ছুঁইছুঁই লিড নিয়ে অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া। সেখানে ব্যাট করতে নেমে স্কোরবোর্ডে ২৪ রান তুলতেই নেই সফরকারীদের শুরুর ৩ উইকেট। সেই বিপর্যয় কাটাতে ২২ গজে এই মুহূর্তে লড়ছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিম।

শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দিনের প্রথম সেশন শেষে ৩ উইকেটে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩৯ রান। এখনো ১০৭ রানে পিছিয়ে আছে তারা।

ম্যাকাইতেই আরও এক হতাশার সেশন পার করলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। দ্বিতীয় ইনিংসের শুরুতেও মিচেল স্টার্কের পেস তোপে ভুগল সফরকারী দলের ব্যাটাররা। এই বাঁহাতি পেসারের পরপর দুই বলে ফেরেন সাদমান ইসলাম ও মুমিনুল ইসলাম। তৃতীয় ওভারের দ্বিতীয় বলে মারনাস লাবুশেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান (১) আর স্টার্কের পরের বলেই বোল্ড মুমিনুল, ইনিংসে নিজের প্রথম বল খেলতে গিয়েই। স্কোরবোর্ডে তখন ২উইকেটে স্রেফ ৫ রান!

কিছুটা থিতু হবার আশা দেখাচ্ছিলেন আরেক ওপেনার তানজিদ হাসান। আগের ইনিংসে ফিরেছিলেন খালি হাতেই। তবে পিচে কিছুটা সময় লড়াই চালালেও ফিরলেন ব্যক্তিগত সংগ্রহ এক অঙ্কের ঘরে রেখেই (৯)।

সেই চাপ সামলে এখন স্বাগতিকদের সামনে লক্ষ্য দাঁড় করাতে হলে আরও অন্তত ১০৭ রান যোগ করতে হবে স্কোরবোর্ডে। এই মুহূর্তে শান্ত অপরাজিত আছেন ২৩ রানে আর মুশফিক ব্যাট করছেন ৪ রানে।

এদিকে ম্যাকাই টেস্টে দ্বিতীয় দিনের সকালে আরো ৪৫ রান যোগ করেছে অস্ট্রেলিয়া। ক্যামেরুন গ্রিনকে শরীফুল ইসলাম দ্রুত আউট করলেও জশ হ্যাজেলউডকে নিয়ে শেষ জুটিতে নাথান লায়ন বাংলাদেশকে হতাশ করে আরো ২৪ রান যোগ করেন। শেষ পর্যন্ত তাইজুল ইসলাম ২১০ রানে মুড়িয়ে দেন অজিদের ইনিংস। তাই অস্ট্রেলিয়ার লিড দাড়ায় ১৪৬। দলীয় সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন গ্রিন আর ৩২ রানে অপরাজিত ছিলেন লায়ন।

বল হাতে শরীফুল এদিনও ধরে রাখেন তার পেস দাপট। গ্রিনকে ফেরানোর পর বাংলাদেশের প্রথম পেসার হিসেবে এক ইনিংসে ৭ উইকেট পেলেন তিনি। ২০০৮ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২৭ রানে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন শাহাদাত হোসেন, সেটিই এতদিন ছিল পেসারদের মধ্যে সেরা বোলিং ফিগার। তা ছাপিয়ে এখন সেরা শরীফুলের এই বোলিং ফিগার: ১৫-৩-৪৮-৭।