ইমাম ও খাদেম না হয়েও ভাতার তালিকায় নাম দেয়া জামায়াতের দুই নেতা বহিস্কার

যশোরের কেশবপুর উপজেলায় মসজিদের ইমাম ও খাদেমের নাম বাদ দিয়ে সরকারি সম্মানী ভাতার তালিকায় নিজেদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগে উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মাসুদ কামাল ও ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মোতালেব মোল্লাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। রোববার রাতে ওই দুই নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

সূত্র মতে, উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের গোভাঙ্গা বাইতুন নূর জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা আব্দুর রহমান এবং খাদেম হিসেবে আব্দুর রাজ্জাক দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এরই মধ্যে সরকারি ঘোষণানুযায়ী মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার তালিকা প্রণয়নের সময় প্রকৃত ইমাম ও খাদেমের নাম বাদ দিয়ে সেখানে মসজিদ কমিটির ক্যাশিয়ার ও জামায়াত নেতা তাজবীর রহমান এবং খাদেমের জায়গায় ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি আব্দুল মোতালেব মোল্লার নাম অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেওয়া হয়।

এ বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকার মুসল্লিরা স্থানীয় সংসদ সদস্য ও উপজেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক মোখতার আলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ইউনিয়ন জামায়াত নেতাদের নির্দেশ দেন।

এরপর স্থানীয় জামায়াত নেতারা ক্ষুব্ধ হয়ে গোভাঙ্গা বাইতুন নূর জামে মসজিদের নাম ওই তালিকা থেকে বাদ দিয়ে পাশের পূর্বপাড়া জামে মসজিদের ইমাম, খাদেম ও মুয়াজ্জিনের নাম নতুন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা দেন।

বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে জামায়াতের কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্দেশে ওই দুই জামায়াত নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানান কেশবপুর উপজেলা জামায়াতের ইসলামীর নায়েবে আমির সাঈদুর রহমান সাঈদ।
কেশবপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সাঈদুর রহমান সাঈদ বলেন, রোববার (২৩ আগস্ট) রাতে কর্মপরিষদের বৈঠকে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে পাঁজিয়া ইউনিয়নের ওই দুই নেতাকে দল থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।