চলতি মৌসুমে বাংলাদেশি পেসার হাসান মাহমুদের পর শরীফুল ইসলাম ইংলিশ কাউন্টি লিগে খেলার জন্য ডাক পেয়েছেন। ইতোমধ্যে কেন্টের হয়ে মাঠেও নেমেছেন হাসান। বাকি ৪ ম্যাচের জন্য একই দলের হয়ে খেলার কথা শরীফুলের। এজন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) কাছে ছাড়পত্র চেয়ে চিঠি দেন এই বাঁহাতি পেসার। তবে তাকে কাউন্টি খেলার জন্য অনুমতি দেয়নি বিসিবির ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ। এবার খালেদ আহমেদকে দলে নিয়েছে কেন্ট।
এ নিয়ে ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের ইনচার্জ শাহরিয়ার নাফীস বলেন, ‘শরীফুলকে নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা নেই। তবে এই মুহূর্তে তাকে বিদেশি লিগ বা অন্য কোনো প্রতিযোগিতায় খেলার জন্য ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে না। হাসানের এসব ইস্যু নেই। তার আগে থেকেই ছাড়পত্র নেওয়া আছে। অন্য কেউ অনুমতি চাইলে সেটা আমরা বিবেচনা করব।’
মূলত চলতি বছর জাতীয় দলের ব্যস্ত সূচির কারণে ছাড়পত্র পাচ্ছেন না শরীফুল। সদ্যই চোট কাটিয়ে ফিরেছেন তিনি। এজন্য তাকে নিয়ে সতর্ক বিসিবি। শরীফুলকে ছাড়পত্র না দেওয়া প্রসঙ্গে নাফীস বলেন, ‘শরীফুলের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। সে কিছুদিন আগে চোটের কারণে দলের বাইরে ছিল এবং সম্প্রতি মাঠে ফিরেছে। কাউন্টি ক্রিকেটে তার ৪টি ম্যাচ খেলার কথা। এই ধরনের লিগে সাধারণত বিদেশি খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ ব্যবহার করার চেষ্টা করে দলগুলো। শরীফুলের বর্তমান শারীরিক অবস্থা এবং সামনে থাকা আন্তর্জাতিক ব্যস্ততা বিবেচনা করে তাকে জাতীয় দলের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত রাখা আমাদের কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’
চলতি বছর আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি টেস্ট ও ৩টি ওয়ানডে খেলার কথা আছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের। সিরিজটি চূড়ান্ত হলে বাংলাদেশ মোট ৫টি টেস্ট, ৬টি ওয়ানডে এবং ৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে। এর পাশাপাশি এশিয়ান গেমসের ম্যাচও আছে। সব মিলিয়ে প্রায় ৩৮ দিনের আন্তর্জাতিক সূচি। সঙ্গে ঘরোয়া লিগ এবং অনুশীলন সেশন। এই কারণেই শরিফুলকে সম্পূর্ণ রেখে জাতীয় দলের জন্য সর্বোত্তমভাবে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা বিসিবির।