হঠাৎ করে রোমান্টিক নাটক ও সিনেমা নির্মাণ বন্ধের দাবিতে লিগ্যাল নোটিশ জারি। এতে বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট কনটেন্ট নিয়ে আপত্তি থাকলে প্রচলিত আইন, বিধিমালা ও নিয়ন্ত্রক কাঠামোর মাধ্যমে তার প্রতিকার করা সম্ভব। এমন নোটিশে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগ জানিয়েছে দেশের নাটক ও সিনেমা অঙ্গনের বিভিন্ন সংগঠন। তাদের মতে, একটি নির্দিষ্ট ঘরানার সৃজনশীল কাজ বন্ধের উদ্যোগ শিল্পী ও কলাকুশলীদের স্বাধীনতার পাশাপাশি কর্মসংস্থানকেও প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে।
সংগঠনগুলোর নেতারা জানান, বাংলাদেশের টেলিভিশন ও অডিওভিজ্যুয়াল শিল্প দেশের সংস্কৃতি, বিনোদন ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এর সঙ্গে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান। তাই রোমান্টিক কনটেন্ট নির্মাণ বন্ধ হলে এর প্রভাব শুধু পর্দায় নয়, এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষের জীবনেও পড়তে পারে। তবে দায়িত্বশীল ও মানসম্মত কনটেন্ট নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাও স্বীকার করেছে সংগঠনগুলো। তাদের বক্তব্য, সৃজনশীল স্বাধীনতার পাশাপাশি নির্মাতাদেরও দর্শকের প্রতি দায়িত্বশীল থাকতে হবে।
সৃজনশীল স্বাধীনতা, শিল্পী-কলাকুশলীদের কর্মক্ষেত্র এবং বিনোদন অঙ্গনের স্বাভাবিক কার্যক্রম নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা চেয়েছে তারা। যৌথ প্রতিবাদে ডিরেক্টরস গিল্ড বাংলাদেশ, অভিনয় শিল্পী সংঘ বাংলাদেশ, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা স্বাক্ষর করেছেন।