গোপন ও রহস্যময় ‘এরিয়া ৫১’। যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদা অঙ্গরাজ্যের স্থানটি ঘিরে অনেক গল্প রয়েছে। জানা যাচ্ছে, এটি গোপন সামরিক বাহিনীর অপারেশন ঘাঁটি। যা বিমান বাহিনী এবং সিআইএ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। আয়তন ২৬,০০০ বর্গকিলোমিটার। দুর্ভেদ্য বেষ্টনীটির প্রবেশপথে লেখা ‘সংরক্ষিত এলাকার দিকে প্রবেশের চেষ্টা করলে গুলি করা হবে’। ঘাঁটির চারপাশের আকাশসীমা এবং আশপাশে সাধারণের চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এবং কঠোরভাবে পাহারা দেওয়া হয়। ‘এরিয়া ৫১’ সামরিক ঘাঁটির কর্মীরা শুধু প্রেসিডেন্টের কাছে দায়বদ্ধ। এর ভেতর আজ পর্যন্ত বেসামরিক কেউ ঢুকতে পারেননি। যদি কেউ ঢুকেন, তাহলে ফিরেছেন লাশ হয়ে। কর্মকর্তারা শুধু জানান এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য পরীক্ষামূলক উড়োজাহাজ তৈরি ও অস্ত্রশস্ত্র সিস্টেমের পরীক্ষাকরণ। তবে কিছু দূরের বাসিন্দারা বলেন ভিন্ন কথা। তাদের দাবি, ‘এরিয়া ৫১’-এর আকাশে ফ্লাইং সসারের মতো কিছু উড়তে দেখেছেন। অনেকে এমন দ্রুতগতির বিমান উড়তে দেখেছেন, যার গতি ও আকৃতি সাধারণ বিমান বা যুদ্ধবিমানের সঙ্গে মিল নেই। এরিয়া ৫১-এ কর্মরত পদার্থবিজ্ঞানী বব লেজার টিভি সাক্ষাৎকারে জানান, ‘সেখানে রেটিকুলাম-৪ নামক জ্যোতিষ্ক থেকে আসা এলিয়েন ও ফ্লাইং সসার রয়েছে। এলিয়েন বা ভিনগ্রহের প্রাণীটির উচ্চতা নাকি সাড়ে তিন ফুট। তার দেহ ব্যবচ্ছেদ করার পর ভেতরে ফুসফুস ও হৃৎপি-ের বদলে পাওয়া গেছে বিশাল পতঙ্গ।’ রহস্যময় এ জায়গা নিয়ে বিভিন্ন খবর পত্রিকায় বের হলেও যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে কিছু বলেন না।