মীর কাসেম আলীর জনকল্যাণমূলক উদ্যোগগুলো অব্যাহত থাকবে: জামায়াত আমির

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সাবেক সদস্য, অর্থনীতিবিদ, সমাজসেবক ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মীর কাসেম আলীর দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর অবদান স্মরণ করেছেন দলটির আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি।

বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে মীর কাসেম আলীর কর্মময় জীবন ও বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন জামায়াত আমির।

বিবৃতিতে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, মীর কাসেম আলী বাংলাদেশকে সুখী, সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণভিত্তিক রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন কাজ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিষ্ঠাকালীন কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। পাশাপাশি ইসলামী ব্যাংক ও বীমা খাত, মসজিদ-মাদ্রাসা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে মীর কাসেম আলীর উদ্যোগ উল্লেখযোগ্য ছিল। এসব কার্যক্রমের সুফল এখনো মানুষ পাচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

জামায়াত আমির অভিযোগ করেন, ইসলামী আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার কারণে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার মীর কাসেম আলীর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা করে। তাঁর দাবি, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা ওই মামলায় ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হয়নি এবং শেষ পর্যন্ত ২০১৬ সালের ৩ সেপ্টেম্বর রাতে তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, মীর কাসেম আলী দাওয়াতি কার্যক্রমের পাশাপাশি সমাজের মানুষের কল্যাণে যেসব উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সেগুলো দীর্ঘদিন ধরে অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে। তাঁর কর্ম ও অবদানের মাধ্যমে তিনি মানুষের মাঝে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

বিবৃতিতে জামায়াত আমির মীর কাসেম আলীর শাহাদাত কবুল এবং তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দেওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেন।

একই সঙ্গে মীর কাসেম আলীর অসমাপ্ত কাজগুলো এগিয়ে নিতে দলের সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি সহযোগিতার আহ্বান জানান তিনি।