ত্রিশালে বর্ষাকালীন ঝিঙ্গা চাষে বাম্পার ফলন 

ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার মোক্ষপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের আলী আজগরের ছেলে আবু হাশেমের বর্ষাকালীন ঝিঙ্গা ও বিভিন্ন সবজি চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে।

এরই মধ্যেই এ চাষে অনেক ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের স্বচ্ছলতা ফিরেছে। হাটবাজারে ঝিঙ্গার দাম ভালো থাকায় এখন কৃষকেরা খুশি। কম খরচে বেশি লাভ হওয়ায় ঝিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজির চাষাবাদও বাড়ছে।

আবু হাশেমের বর্ষাকালীন সবজি চাষের মধ্যে রয়েছে ঝিঙ্গা, বেগুন ও লাউ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও প্রায় ৩ মাস আগে এসব দেশি সবজি চাষ করেছেন। তবে হাইব্রিড সবজি সারা বছরই চাষাবাদ হয়ে থাকে।

এ অঞ্চলে ঝিঙ্গার চাহিদা অনেকটাই বেশি। এজন্য হাটবাজারে ঝিঙ্গার কদরও কম নয়। স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন, খরচ কম ও লাভ বেশি হওয়ায় ঝিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি চাষে কৃষকেরা আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

বিশেষ করে কৃষক-কৃষাণীরা বাড়ির আঙিনাসহ ফসলি জমিতে এ ঝিঙ্গা চাষ করছেন। অবশ্য এ ঝিঙ্গা জাংলায় বেশি উৎপাদন হয়।

স্থানীয় কৃষক বাতেন মিয়া বলেন, আবু হাশেম সারাবছর বিভিন্ন সবজি চাষ করে থাকেন। আমি মনে করি তার হাতে জাদু আছে। এবার বর্ষাকালীন ৩৩ শতাংশ জমিতে ভালো ঝিঙ্গা চাষ হয়েছে। বাজারে ভালো দাম পেলে সে অনেক লাভবান হবে। 

কৃষক আবু হাশেম বলেন, আমি  ৩৩ শতাংশ  জমিতে ২০ হাজার টাকা খরচ করে বর্ষাকালীন ঝিঙ্গা চাষ করেছি। আলহামদুলিল্লাহ এবার আমার ভালো ফলন হয়েছে। আশা করছি ভালো দাম পেলে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকা বিক্রি করতে পারব। আরও ১ থেকে ২ মাস ঝিঙ্গা উৎপাদন হবে। খরচের তুলনায় এ জমি থেকে কয়েক গুণ লাভের আশা করছি। 

কৃষি কর্মকর্তা হাম্মিম জাহান বলেন, সংশ্লিষ্ট কৃষি জমিতে বর্ষাকালীন ঝিঙ্গাসহ বিভিন্ন সবজি চাষে কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে থাকে। এবার এ চাষাবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকেরা কম খরচে ঝিঙ্গা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন এবং বাজারে দাম ভালো থাকায় তারা খুশি।