দক্ষিণী সিনেমায় অন্যরকম এক নজির স্থাপন করলেন তরুণ অভিনেত্রী মামিথা বাইজু। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়া তার অভিনীত তিনটি ভিন্ন চলচ্চিত্র বিশ্বব্যাপী ২০০ কোটি রুপির বেশি আয় করে নতুন এক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত আলোচিত মালয়ালম সিনেমা ‘প্রেমালু’ দিয়ে খ্যাতি পাওয়া এবং পরের বছর তামিল ছবি ‘ডুড’-এর শতকোটি রুপি আয়ের পর এবার ক্যারিয়ারের সেরা সময় পার করছেন এই অভিনেত্রী।
২০২৬ সালের শুরুর দিকে অভিনেতা ধানুশের বিপরীতে ‘কারা’ সিনেমাটি বক্স অফিসে আশানুরূপ ব্যবসা করতে না পারলেও জুলাই ও আগস্টে তাঁর ক্যারিয়ারের চিত্র নাটকীয়ভাবে বদলে যায়। গত ২৩ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় থালাপতি বিজয়ের শেষ চলচ্চিত্র ‘জন নায়াগন’। গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে মামিথার অনবদ্য অভিনয়ে সমৃদ্ধ এই সিনেমাটি বিশ্বজুড়ে ৩২৪ কোটি রুপির বেশি আয় করে বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য এনে দেয়।
বিজয়ের ছবির রেশ কাটতে না কাটতেই এর ঠিক তিন সপ্তাহ পর গত ১৪ আগস্ট মুক্তি পায় মামিথার পরবর্তী তামিল সিনেমা ‘বিশ্বনাথ অ্যান্ড সন্স’। সুপারস্টার সুরিয়ার বিপরীতে তাঁর এই চলচ্চিত্রটিও দর্শকদের মাঝে দারুণ সাড়া ফেলে এবং বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে ইতোমধ্যেই ২০০ কোটি রুপির আয়ের ঘর অতিক্রম করেছে।
সবশেষ গত ২১ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত মালয়ালম সিনেমা ‘বেথলেহেম কুডুম্বা ইউনিট’-এর মধ্য দিয়ে নিজ ইন্ডাস্ট্রিতে ফেরেন মামিথা। নিভিন পাউলির সঙ্গে তাঁর জুটিবদ্ধ এই চলচ্চিত্রটি মুক্তির মাত্র ১৪ দিনেই বিশ্বজুড়ে ২৩১ কোটি রুপির বেশি আয় করেছে। বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, সিনেমাটি শিগগিরই ৩০০ কোটি রুপির ক্লাবে প্রবেশ করে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী মালয়ালম সিনেমা ‘লোকাহ চ্যাপ্টার ১: চন্দ্র’র রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। একের পর এক বড় বাজেটের ব্যবসাসফল ছবি উপহার দিয়ে মামিথা বর্তমানে দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার অন্যতম নির্ভরযোগ্য অভিনেত্রীতে পরিণত হয়েছেন।