নড়াইলে মাদরাসা ছাত্র ধর্ষণ মামলায় শিক্ষক মেরাজ আলী মিরাজকে (২৫) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেছে আদালত। একই সঙ্গে ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত মিরাজ চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার কালিয়া বকরী রুদ্রপুর গ্রামের আমানুল্লাহ হকের ছেলে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নড়াইল শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা ঘোষনা করেন।
নড়াইল নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট আজিবুর রহমান আজিজ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রায় ঘোষণাার সময় সাজাপ্রাপ্ত আসামী মিরাজ আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় তাকে বিমর্ষ দেখা যায়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ১১ জুলাই ভোররাতে নড়াইল পৌরসভার রঘুনাথপুর-বাদামতলা জামিয়া রহমানিয়া তাইসিরুল উলুম মাদরাসার ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ওই মাদরাসার শিক্ষক মিরাজ পায়ুপথে ধর্ষণ (বলৎকার) করে।
এ ঘটনায় শিশুর মা বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ১৩ জুলাই মিরাজকে আসামি করে নড়াইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীত ভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মিরাজকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন বিচারক।