পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ

সুন্দরবন সংরক্ষণে বাংলাদেশ ভারত বৈঠক হবে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। গতকাল সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

সাক্ষাৎকালে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের আওতায় যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের পরবর্তী সভা বাংলাদেশে আয়োজনের বিষয়ে দুই পক্ষ একমত হয়। একই সঙ্গে রয়েল বেঙ্গল টাইগার সংরক্ষণে দুই দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রটোকলের ধারাবাহিকতায় পরবর্তী দ্বিপক্ষীয় বৈঠক বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হবে। তবে আন্তঃসীমান্ত এশীয় হাতি সংরক্ষণ বিষয়ে পরবর্তী সভা ভারতে আয়োজনের সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, আন্তঃসীমান্ত পরিবেশগত সমস্যা, কার্বন ক্রেডিট, কার্বণ নিঃসরণ কমানো ও সবুজ অর্থনীতির বিকাশ এবং আন্তঃসীমান্ত বায়ুদূষণ ও নদীদূষণ নিয়েও আলোচনা হয়।

মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত ঘনিষ্ঠ প্রতিবেশী হওয়ায় দুই দেশের পরিবেশ ও প্রতিবেশগত স্বার্থ পরস্পরের সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। জলবায়ু পরিবর্তন, বন্যা, খরা, নদী ও জলসম্পদ ব্যবস্থাপনা, বায়ুদূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের অবক্ষয়ের মতো চ্যালেঞ্জ কোনো একক দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এসব সমস্যা মোকাবিলায় তথ্য ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন।

 বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম সুন্দরবনসহ দুই দেশের অভিন্ন প্রতিবেশগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেন।

ভারতীয় হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদীও পরিবেশ সুরক্ষা, জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়নে দুই দেশের সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বৈঠকে পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব ড. ফাহমিদা খানমসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।