রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে বাড়িতে ঢুকে হামলা, ভাঙচুর ও মা-মেয়েকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মা ও মেয়েকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত এবং তার গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় মা মোছা. মোজেরা বেগমকে (৬৫) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় তার মেয়ে লাকী খাতুন বাদি হয়ে গোদাগাড়ী মডেল থানায় কয়েকজনের বিরুদ্ধে এজাহার দাখিল করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে উপজেলার কাদিপুর এলাকার লাকী খাতুন ও তার পরিবারের সদস্যদের গালাগালি করে। এর প্রেক্ষিতে গত শনিবার গোদাগাড়ী থানায় প্রতিবেশি কয়েকজনের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি করেন লাকী খাতুন। এরই জেরে রবিবার সকাল ১১টার দিকে শাহিন, শিলন, সমিরুল ও সিহাবসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জন তার বাড়িতে চড়াও হন। তারা লাকী খাতুনের বাড়ির উঠানে গিয়ে বাড়ির টিনের বেড়া ও চালা ভাঙচুর করে।
এ সময় লাকীর মা মোজেরা বেগম বাধা দিতে গেলে তারা ধারালো পাসলি দিয়ে মাথার ডান পাশে কোপ মারে এবং একই সাথে লোহার রড দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত করে। মায়ের চিৎকারে লাকী খাতুন এগিয়ে গেলে তাকেও এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে। এক পর্যায়ে তার পরনের কাপড় ছিড়ে শ্লীলতাহানি করে এবং গলায় থাকা একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয়। ১২ আনা ওজনের এই চেইনের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ২ লাখ টাকা।
মা ও মেয়ের চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে গোদাগাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। পরে মোজেরা বেগমকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
গত সোমবার এ ঘটনায় গোদাগাড়ী থানায় এজাহার দায়ের করেন লাকী খাতুন।