রেলওয়ের জমি দখলের কৌশল ‘কল্যাণ ট্রাস্ট’

নারায়ণগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনের পশ্চিম পাশের জায়গাটিতে ঢাকা বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনায় (ড্যাপ) মাল্টিমোডাল পরিবহন হাব নির্মাণের সুপারিশ করা হয়েছে। ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের সংশোধিত কৌশলগত পরিবহন পরিকল্পনায়ও (আরএসটিপি, ২০২২-৩৫) একই প্রস্তাব করা হয়। এদিকে নারায়ণগঞ্জ সদর ও বন্দরকে সংযুক্ত করতে শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর কদমরসুল সেতু নির্মাণ প্রকল্পে সড়ক প্রশস্ত করতে রেলওয়ের এই জমির কিছু অংশ অধিগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

অথচ সরকারের সব পরিকল্পনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই জমিতে বহুতল মার্কেট নির্মাণ করছে রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট। নানা বিতর্কের মধ্যে প্রায় তিনতলা নির্মাণের পর বর্তমানে কাজটি বন্ধ রয়েছে। তবে থেমে নেই রেল কর্মকর্তাদের ট্রাস্টের নামে জমি দখলের প্রক্রিয়া। এরই মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট, লালমনিরহাট ও রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লিজ নেওয়া জমিতে স্থাপনা নির্মাণের পাঁয়তারা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রেলওয়ে প্রকৌশল কোড ১৯৬২ এর ৮১৩ (এ) ধারায় দুটি উপধারা সংযোজন করা হয়। ২০২১ সালের ২ নভেম্বর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ভূমি শাখা থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়, যা সরকার গেজেট আকারে প্রকাশ করে। সংশোধনী অনুযায়ী, রেলওয়ে থেকে লিজ নেওয়া জমিতে অন্য কেউ স্থাপনা নির্মাণ করতে না পারলেও সংস্থাটির কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট অবকাঠামো নির্মাণ করতে পারবে।

এর আলোকে ২০২২ সালের ২৫ জানুয়ারি ‘বাংলাদেশ রেলওয়ে ভূ-ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০২০’ পরিবর্তন আনা হয়। যেখানে একসনা (এক বছরের) লাইসেন্স (লিজ) দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, সেখানে দীর্ঘ মেয়াদি লাইসেন্স দেওয়ার কথাও যুক্ত করা হয়। নীতিমালার ৩৮ (ক) উপ-অনুচ্ছেদে বলা হয়, ‘উন্নয়ন প্রকল্প দাখিল সাপেক্ষে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টকে রেলভূমি একসনা (নবায়নভিত্তিক) লাইসেন্স দেওয়া যাবে।’ এই বাক্যের পরিবর্তন করে ‘একসনা/দীর্ঘমেয়াদি’ যুক্ত করা হয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লিজ নিয়ে এভাবে ভবন নির্মাণ করা হলে সরকারি জমি স্থায়ীভাবে বেদখলে চলে যাবে। সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অধিগ্রহণ করে নেওয়া জমি সরকারিভাবে বেহাত হওয়া বন্ধ করতে হবে। সরকারের আইনে কোনো জমি রেলের প্রয়োজন না হলে খাস খতিয়ানভুক্ত করার বিধান রয়েছে। সেই বিধান অনুসরণ করে এই দখল বন্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছেন তারা।

প্রচলিত ভূমি অধিগ্রহণ বিধান অনুযায়ী, কোনো প্রত্যাশী সংস্থার অনুকূলে অধিগ্রহণ করা জমি যে উদ্দেশ্যে অধিগ্রহণ করা হয়েছে, সে উদ্দেশ্য ছাড়া অন্য কাজে ব্যবহার করা হলে অথবা অব্যবহৃত রাখা হলে জেলা প্রশাসক তা পুনঃগ্রহণ করতে পারেন। এরপর তা সরকারি খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যবস্থা করতে পারেন।

অতীতেও এমন নজির রয়েছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ের অনুকূলে অধিগৃহীত ৮৮ দশমিক ১৩ একর জমি পুনঃগ্রহণ করে সরকারের খাস খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করার আদেশ দেওয়া হয়েছিল। এদিকে, ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দেওয়া এক নির্দেশনায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের জন্য অধিগ্রহণ করা দীর্ঘদিনের অব্যবহৃত জমি তিন মাসের মধ্যে পুনঃগ্রহণের সিদ্ধান্তের কথা জানায়। ওই নির্দেশনায় অব্যবহৃত জমি সরকারের আওতায় ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে বলা হয়।

জানা গেছে, রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট কোনো সরকারি প্রতিষ্ঠান নয়। এটি রেলওয়েরও কোনো অংশ নয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেশ রূপান্তরকে বলেছেন, ‘এটি কর্মচারীদের কল্যাণে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, অনেকটা সমবায় সমিতির মতো। রেলের অব্যবহৃত জায়গা বরাদ্দ নিয়ে সেখান মার্কেট বা দোকান নির্মাণ করে যে আয় হয়, সেই আয় দিয়ে সংগঠনটি পরিচালিত হয়। একই সঙ্গে কোনো কর্মচারী মারা গেলে বা বিপদে পড়লে সহযোগিতা করা হয়।’ এরপরও রেলওয়ের মতো সরকারি প্রতিষ্ঠান যেন এই কল্যাণ ট্রাস্ট্রের জন্য সবকিছু উজাড় করে দিচ্ছে। এমনকি সেই কথা স্বীকারও করেছেন কর্মকর্তারা।

রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্টকে সুবিধা দিতেই আইনের এই সংশোধন করা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে সংস্থাটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অবকাঠামো) আল ফাত্তাহ মো. মাসউদুর রহমান দেশ রূপান্তরকে বলেন,  কল্যাণ ট্রাস্টকে আমরা বরাবরই সুবিধা দিই। এই বিধান যখন ছিল না, তখন প্রকৌশল কোডের ৮১৩ (এ) ধারা সংশোধন করে অবকাঠামো নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। যেমন খিলক্ষেতে মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছিল। পরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য এটি ভাঙা হয়। তিনি বলেন, রেলের জায়াগায় সেমিপাকা বিল্ডিং করার জন্য একসনাভিত্তিক লাইসেন্স দেওয়া হয়। বছর বছর ফি পরিশোধ করে নবায়ন করতে হয়। রেলের জায়াগায় কল্যাণ ট্রাস্টের অবকাঠামো থাকলে আরও ভালো। কেননা সেখানে অন্য কেউ দখল করতে পারবে না। জায়গাটা রেলেরই থেকে যায়। এখানের এমডিসহ পুরো ব্যবস্থাপনা রেলের নিয়োগ করা। জনবল কাঠামোতে কল্যাণ ট্রাস্টের পদ রয়েছে।

অন্যদিকে, নীতিমালা সংশোধনের পর নারায়ণগঞ্জে বহুতল মার্কেটের কাজ শুরু করে রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট। চট্টগ্রাম, সিলেট রেলওয়ে স্টেশনসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায়ও ভবন অনুমোদনের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে রাজধানীর খিলক্ষেতের জলাভূমিতে পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আগে রাজধানীর কুড়িল এলাকায় পাঁচ তারকা হোটেল নির্মাণের জন্য পাঁচ একর জমি লিজ দেয় রেলওয়ে। পরে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের জন্য সেখানে হোটেল নির্মাণ থেকে সরে আসে কর্তৃপক্ষ। এরপর খিলক্ষেতের একটি জলাধারে এক একর জমি বরাদ্দ দেয় সংস্থাটি। এটি নিয়ে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সিটি করপোরেশন প্রতিবাদ জানায়। এই জলাধার ভরাট করে হোটেল নির্মাণ করা হলে জলাবদ্ধতা আরও তীব্র আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তারা।

তারও আগে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের জন্য রেলের একটি মার্কেট ভেঙে ফেলতে হয় বলে জানা গেছে। অর্থাৎ রেলওয়ে লিজ দিয়ে অপরিকল্পিত এবং ড্যাপসহ সরকারের বৃহৎ পরিকল্পনার সঙ্গে সাংর্ঘষিক নানা স্থাপনা নির্মাণের অনুমোদন দিচ্ছে। এলাকাবাসীর ভাষ্য, রেলওয়ের সম্পত্তি একসময় ব্যক্তি মালিকানাধীন ছিল। সরকারি প্রয়োজনে তা অধিগ্রহণ করা হয়। রেলের কাজে না লাগলে সেই জমি ফেরত চান তারা। খিলক্ষেতের বাসিন্দা আব্দুল হালিম সরকার দেশ রূপান্তরকে বলেন, আমাদের পূর্বসূরিদের কাছ থেকে রেললাইনের প্রয়োজনে জমি নেওয়া হয়েছিল। এখন যদি প্রয়োজন না হয়, সেটি ফেরত দেবে অথবা সরকারের থাকবে। আমাদের জমি লিজের নামে অন্য কাউকে দখল করতে দেওয়া সরকারের কাজ না।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, চট্টগ্রামের হালিশহর সিএসডি গোডাউন-সংলগ্ন ৫ দশমিক ৩৭ একর জমি লিজ নিয়েছে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্ট। কিন্তু সেখানে বহিরাগতদের ভাড়া দিয়ে রেলভূমিকে বস্তিতে পরিণত করা হয়েছে। এই মূল্যবান ভূমি চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে সম্পৃক্ত ভারতের আসাম, আগরতলা এলাকায় মালামাল পরিবহনে সিজিপিওয়াই ইয়ার্ড সম্প্রসারণের জন্য রেলওয়েরই প্রয়োজন হতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

২০০১ সালে সৈয়দ রেজাউল হায়াত যোগাযোগ সচিব থাকাকালীন চট্টগ্রাম রেলস্টেশন পরিদর্শন করেন। তার পরিদর্শন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হলে চট্টগ্রাম রেলস্টেশন একটি হাব-স্টেশনে পরিণত হবে। ফলে স্টেশনের আশপাশের কোনো ভূমি বাণিজ্যিক বা অন্য কোনো কাজে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া সঠিক হবে না। এরপর একাধিক মন্ত্রী-সচিব একই ধরনের মনোভাব ব্যক্ত করেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তারপরও চট্টগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন পে অ্যান্ড ক্যাশ অফিসের পূর্ব পাশের বিশাল ভূমি একটি ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বহুতল বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণের অনুমতি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে। এই মূল্যবান ভূমি ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের দখলে গেলে বাণিজ্যিক রাজধানীর চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ এবং চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-গুন্দুম পর্যন্ত ও চকরিয়া, মহেশখালী, মাতারবাড়ী পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারণ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অন্যদিকে লালমনিরহাটে গোশালা বাজারে রেলের জমিতে তিনতলা ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। রাজশাহী রেলস্টেশন থেকে নওহাটা রেলগেট পর্যন্ত দ্বিতল ভবন করা হয়েছে, খুলনা, ভৈরব বাজার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশনসহ গুরুত্বপূর্ণ রেলভূমিতে তিনতলা, দ্বিতলা ও একতলা ভবন অবৈধভাবে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে। 

এদিকে, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের পেছনে একটি মানবাধিকার সংস্থার দখলে থাকা জমি লিজ নিয়ে অবকাঠামো গড়ে তোলার পাঁয়তারা চালাচ্ছে কল্যাণ ট্রাস্ট। এই জমি সচিবালয়ের কাছে হওয়ায় সরকার বা রেলের গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো কাজে প্রয়োজন পড়তে পারে। এরপরও রেলওয়ে জমিটি কল্যাণ ট্রাস্টকে লিজ দেওয়ার ব্যাপারে ইতিবাচক।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রেলওয়ের একাধিক কর্মচারী জানিয়েছেন, স্থায়ী অবকাঠামোগুলো সেমিপাকা বা টিনসেড করার শর্তে একসনা লিজ নেয় রেলওয়ে কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট। কিন্তু সেই শর্ত ভঙ্গ করে বহুতল স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। রেল কর্তৃপক্ষ এসব দেখেও না দেখার ভান করছে। মূলত আগে থেকেই অবকাঠামো নির্মাণ করা জমি কল্যাণ ট্রাস্টের কাছে স্থীয় দখল দেওয়ার উদ্দেশ্যে এই নীতিমালা সংশোধন করা হয়েছে বলেও অভিযোগ তাদের।

রেলওয়ের হিসাব বলছে, সংস্থাটির মোট ৬১ হাজার ৪৫১ একর সম্পত্তি রয়েছে। এর মধ্যে লিজ দেওয়া হয়েছে ২৫ হাজার ৮৩ একর। এখনো অব্যবহৃত আছে ৮ হাজার ৬৬১ একর। এর বাইরে অবৈধ দখলে আছে ৩ হাজার ২৫ একর জমি। তবে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টকে কী পরিমাণ জমি লিজ দেওয়া হয়েছে সেই হিসাব পাওয়া যায়নি।

এ প্রসঙ্গে রেলওয়ে কল্যাণ ট্রাস্টের চেয়ারম্যান ও রেলওয়ের মহাপরিচালক প্রকৌশলী আফজাল হোসেন এবং ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রেলওয়ের যুগ্ম মহাপরিচালক সাদরুল হক এসব বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। রেলপথ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. শহিদুল ইসলাম ভূঞা (আইন ও ভূমি অনুবিভাগ) দেশ রূপান্তরকে বলেন, এটি সংশোধনের সময় আমরা ছিলাম না। তাই কি প্রক্রিয়ায় সংশোধন করা হয়েছে বা কেন করা হয়ে সেটি বলা সম্ভব হচ্ছে না। কিন্তু অর্ন্তবর্তী ও বর্তমান সরকারের আমলে নতুন কোনো জমি কল্যাণ ট্রাস্টকে লিজ দেওয়া হয়নি, এমনকি উদ্যোগও নেওয়া হয়নি। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, অতীতের বকেয়া পরিশোধ না করায় নিয়ম অনুযায়ী তারা লিজ পায়নি। বিতর্কিত ধারা সংশোধন করা হবে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে শহিদুল ইসলাম বলেন, এটি গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে। উপজেলা পর্যায়ে যখন মডেল মসজিদের জায়গা পওয়া যাচ্ছিল না, তখন এ কোড সংশোধন করা হয়। সেই সংশোধনের মধ্যে কল্যাণ ট্রাস্টের অবকাঠামো নির্মাণের বিষয়টি আসে।

আলাপকালে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এএসএম সালেহ আহমেদ দেশ রূপান্তরকে বলেন, প্রত্যাশী সংস্থার প্রয়োজন না হলে জেলা প্রশাসক সেই জমি পুনরায় গ্রহণের বিধান রয়েছে। তবে রেলওয়ে যেহেতু পৃথক মন্ত্রণালয় তাদের নিজস্ব নিয়মকানুন থাকতে পারে। নীতিমালা সংশোধন করার আগে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলা উচিত ছিল। কিন্তু তারা তা করেছে কি না তা জানা নেই।