ইসরায়েলের ভ্রমণ সতর্কতার তালিকায় বাংলাদেশ

ইসরায়েলের নাগরিকদের জন্য যে ভ্রমণ সতর্কতা জারি করা হয়েছে, তাতে দেশটির সরকার বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল (এনএসসি) ধর্মীয় উৎসব সামনে রেখে বিশ্বজুড়ে নাগরিকদের জন্য গত রবিবার এ সতর্কতা জারি করেছে। এর অংশ হিসেবে বাংলাদেশসহ কয়েকটি দেশে ইসরায়েলদের ভ্রমণ ও অবস্থান এড়িয়ে চলতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে জেরুজালেম পোস্টে গত রবিবার প্রকাশিত এক সতর্কবার্তায় এনএসসি বলেছে, ইহুদিদের কয়েকটি ধর্মীয় দিবস কেন্দ্র করে বিদেশ সফররত ইসরায়েলি ও ইহুদিদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। ইরান, লেবাননের হিজবুল্লাহ ও ফিলিস্তিনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইসরায়েলের চলমান সংঘাতের কারণে এ ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে। ইয়েমেনভিত্তিক হুতিরা আফ্রিকা মহাদেশে ইসরায়েলিদের ওপর হামলার হুমকি দিয়েছে।  

এনএসসি বলেছে, ইসরায়েলিদের জন্য ইরানের আশপাশের দেশগুলো সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে আজারবাইজান, তুরস্ক ও সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্ডান, কাতার, সোমালিল্যান্ড ও মিশর ঝুঁকিপূর্ণ বলে সতর্ক করা হয়েছে। এসব দেশে ভ্রমণ না করা এবং সেখানে অবস্থানরত ইসরায়েলিদের দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আকাশপথে ভ্রমণের ক্ষেত্রে এসব দেশে ট্রানজিটের সময় বিমানবন্দর থেকে বের না  হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এনএসসি বলছে, ইরাক, কুর্দিস্তান, ইয়েমেন, সিরিয়া, লেবানন ও সৌদি আরবে ইসরায়েলিদের ভ্রমণ আইনিভাবে নিষিদ্ধ।  দ্বৈত নাগরিকদের জন্যও এসব নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে। আর বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, লিবিয়া, আলজেরিয়া ও সোমালিয়াকে ইসরায়েলিদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে উল্লেখ করে এসব দেশে ভ্রমণ না করতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

বাংলাদেশের সঙ্গে ইসরায়েলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই। বাংলাদেশের নাগরিকদের ইসরায়েলে যাতায়াত নেই বললেই চলে।