নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে ইবি ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিতকরণ, দেশীয় অস্ত্র, মব কালচার ও নিষিদ্ধ সংগঠনের অপতৎপরতার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে  শাখা ছাত্রশক্তি। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টার দিকে ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি ভবনের সামনে থেকে মানববন্ধন শুরু করে। পারে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ডায়না চত্ত্বরে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মানববন্ধনে শাখা ছাত্রশিক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান, সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন ও মুখ্য সংগঠক যায়েদ বিন ওসমান-সহ সংগঠনটির অন্য নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

নেতাকর্মীরা বলেন, ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে সন্ত্রাস, মববাজি, চাঁদাবাজি ও বহিরাগতদের অস্ত্রের মহড়া মুক্ত করে শিক্ষার নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ, পুনর্বাসন ও কর্মকাণ্ড বন্ধে প্রশাসনকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় প্রশাসনকে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা বেষ্টনী আরও জোরদার করতে হবে। 

শাখা ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব ইফতেহার উদ্দিন বলেন, "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ছাত্রদের উপর হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে।​ অভিযুক্তদের ছাত্রত্ব স্থায়ীভাবে বাতিল করতে হবে।​ বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে কঠোর হতে হবে।​ ক্যাম্পাসে ও দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম রোধে অপরাধীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।"

শাখা ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফুয়াদ হাসান বলেন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া ভয় ও আশঙ্কা দূর করে ক্যাম্পাসে নিরাপদে পড়াশোনার পরিবেশ নিশ্চিত করা অপরিহার্য। ​ছাত্র রাজনীতি মানে সন্ত্রাস ও অরাজকতা নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে তাদের অধিকার ও কথা বলার একটি মাধ্যম। ​সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা এবং একটি বৈষম্যহীন, সুশৃঙ্খল ও সুন্দর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে প্রশাসনকে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, গত ৫ তারিখের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সুযোগ নিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে কমিটি প্রকাশ করেছে। নিজেদের মধ্যে অভ্যন্তরীণ মতভেদ থাকলেও ছাত্রলীগের প্রশ্নে জুলাইয়ের শক্তি এবং সব ছাত্রসংগঠন এক হয়ে রাজপথে থাকবে। ছাত্রলীগে ​ক্যাম্পাসে কোনো প্রকার কার্যক্রম বা প্রবেশের দুঃসাহস দেখালে সবাইকে সাথে নিয়ে কঠোরভাবে প্রতিহত কা হবে।