ড. কলিমউল্লাহ নতুন মামলায় গ্রেপ্তার  

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহকে কাফরুল থানার তরিকুল ইসলাম রুবেল হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট দিদারুল আলম গ্রেপ্তার দেখানোর এ আদেশ দেন। একাধিক ফৌজদারি মামলায় কলিমুল্লাহ কারাগারে আছেন।

এদিন আদালতের অনুমতি নিয়ে কলিমউল্লাহ বলেন, ‘আমি ছাত্রজীবন এবং শিক্ষকতা জীবনে কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না,এখনও নেই। আমি একজন শিক্ষক। এর বাইরে আমার কোনো রাজনৈতিক পরিচয় নেই। আমি উপাচার্য থাকাকালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছি। এতে আমাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি জুলাই আন্দোলনে শহীদ শিক্ষার্থী আবু সাঈদের হত্যার প্রতিবাদ করেছি এবং এ বিষয়ে কথা বলেছি।’

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাত আনুমানিক ৮টার দিকে কাফরুল থানাধীন এলাকায় গুলি ও হামলা চালানো হয়। এ সময় ভিকটিম মো. তরিকুল ইসলাম রুবেলসহ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ ও আহত হন। রুবেল মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। নিহতের আত্মীয় আতিউর রহমান গণ অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ১৫৭ জনকে  আসামি করে কাফরুল থানায় এ হত্যা মামলাটি করে।

২০২৫ সালের ৭ আগস্ট মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে কলিমউল্লাহকে গ্রেপ্তার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এরপর থেকে তাকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

বেরোবির উপাচার্য থাকার সময়ই বিশ্ববিদ্যালয়ে অফিস না করে ঢাকায় অবস্থান, পছন্দের ব্যক্তিদের ঢালাও নিয়োগ এবং জুলাই অভ্যুত্থানের পর দুদকের মামলায় বিভিন্ন সময় সংবাদ শিরোনামে আসেন 'জানিপপ' (জাতীয় নির্বাচন পর্যবেক্ষণ পরিষদ) নামক এনজিও প্রধান ড. কলিমুল্লাহ। তার এনজিওটি তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের একতরফা নির্বাচনের ফলাফলে বিতর্কিত পর্যবেক্ষণের ভূমিকা রাখে বলেও সে সময় অভিযোগ ওঠে।