জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের যাতায়াত উল্লেখযোগ্যভাবে কমে বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মাত্র সাতটিতে নেমে এসেছে। আগের দিন বুধবার এই সংখ্যা ছিল ১১টি। শুক্রবার প্রকাশিত প্রাথমিক জাহাজ-ট্র্যাকিং তথ্য বলছে, গত ১০ দিনের গড় ১৫টি জাহাজ চলাচলের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক কম। খবর রয়টার্সের।
জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান কেপলারের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার যে সাতটি জাহাজ প্রণালিটি অতিক্রম করেছে, তার মধ্যে দুটি প্যানাম্যাক্স শ্রেণির জাহাজ প্রণালি থেকে বেরিয়ে গেছে। এর একটি সার পরিবহন করছিল, আর অন্যটি ছিল খালি অবস্থায় বা ব্যালাস্টে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে প্রতিদিন সাধারণত প্রায় ১২৫টি বড় বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল করত। এসব জাহাজের মধ্যে ছিল তেলবাহী ট্যাংকার, গ্যাস ক্যারিয়ার, বাল্ক ক্যারিয়ার ও কনটেইনার জাহাজ। বিশ্বের দৈনিক অপরিশোধিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবহন করা হয়।
এদিকে, জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে পুনরায় কার্যকর হওয়া ইরান-সংশ্লিষ্ট জাহাজ চলাচলের ওপর মার্কিন অবরোধের পর ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে, লোহিত সাগরে ইরানের মিত্র হুথিরা বৃহস্পতিবার ইয়েমেনের বন্দরনগরী মোকার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি লোহিত সাগরের উপকূল ধরে কৌশলগত কয়েকটি দ্বীপের দিকে অগ্রসর হয়েছে বলে সামরিক সূত্রগুলো জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার বাব আল-মান্দেব প্রণালি দিয়ে মোট ২৬টি পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল করেছে বলে ট্র্যাকিং তথ্য থেকে জানা গেছে। এর মধ্যে ১০টি জাহাজ প্রণালিতে প্রবেশ করেছে এবং ১৬টি জাহাজ সেখান থেকে বেরিয়ে গেছে।