গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার চরপ্রসন্নদি এলাকায় হোটেলের খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হামলা ও ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টার দিকে ঢাকা-বরিশাল হাইওয়ের পাশে অবস্থিত চরপ্রসন্নদি এলাকায় বরিশাল গেট চাইনিচ এন্ড বাংলা হাইওয়ে রেস্টুরেন্টে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে ৪/৫ জন লোক খাবার খেতে ওই হোটেলে যায়। খাবার খাওয়ার পর খাবারের দাম দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। পরে হোটেলের কর্মচারীরা সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের উপর হামলা করে।
এ খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে ওই এলাকার বাসিন্দা রাগদি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে ৪০/৫০ জনের একটি দল লাঠি নিয়ে ওই হোটেলে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর চালায়। এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে হোটেলের তিন কর্মচারীকে সিন্দিয়া ঘাট পুলিশ ফাড়ির পুলিশ আটক করেছে।
হোটেলের মালিক এ এস এম মামুন জানান, হোটেলে খবারের বিল কম দেওয়াকে কেন্দ্র করে কর্মচারীদের সাথে ক্রেতাদের বাকবিতন্ডা হয়। পরে স্থানীয় চেয়ারম্যান প্রার্থী পলাশ শেখের নেতৃত্বে অর্ধ শতাধিক লোক নিয়ে হোটেলে হামলা ও ভাংচুর চালায়। এতে হোটেলের ১০ থেকে ১৫ জন স্টাফ আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনায় হোটলের নগদ ২০ লাখ টাকাসহ অন্তত ৭০ থেকে ৮০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। এখন পর্যন্ত আমাদের আটক ৩ কর্মচারী পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।
সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ আলমগীর হোসেন বলেন, খাবারের বিল নিয়ে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হোটেলে ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে এখনও কোন পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ দায়ের করলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহন করা হবে।