তারেক রহমান গণতান্ত্রিক ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন: মুরাদ

বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে তারেক রহমান গণতান্ত্রিক ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির সামনে আবির্ভূত হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা জেলা পরিষদের প্রশাসক ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ।

বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ধামরাই উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে আজ শনিবার আয়োজিত শোভাযাত্রার আগে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পরে শোভাযাত্রাটি ধামরাই উপজেলা চত্বর হয়ে ধামরাই যাত্রাবাড়ীতে গিয়ে শেষ হয়। সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ধামরাই পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু তাহের মুকুটের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা অধ্যাপক এম এ জলিল, এনায়েত হোসেন, আব্দুস সালাম, ইবাদুল হক জাহিদ, খুররম চৌধুরী টুটুল প্রমুখ।

যুবদলের ঢাকা জেলার সভাপতি মুরাদ বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করে স্বাধীনতার পতাকা ছিনিয়ে এনেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। সেখানে তিনি ক্ষান্ত থাকেননি। জাতির সংকটময় মুহূর্তে সিপাহি-জনতার আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী রাষ্ট্রক্ষমতায় গিয়ে একদলীয় বাকশাল বিলুপ্ত করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। ফিরিয়ে দিয়েছিলেন গণমাধ্যমের স্বাধীনতা। জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী সিদ্ধান্তের কারণে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক ক্ষেত্রে সফলতা পেয়েছিল বাংলাদেশ। দেশের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রে তাকে শহীদ হতে হয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের অবর্তমানে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার হাল ধরেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। দীর্ঘ নয় বছর লড়াই-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে স্বৈরাচারের পতন ঘটিয়ে দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন তিনি। নানা ষড়যন্ত্রের পরও বেগম খালেদা জিয়ার চৌকস নেতৃত্বের কারণে তিনবার বিএনপি দেশের জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছে।

মুরাদ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাবা ও মায়ের দেখানো পথে তাদের আদর্শ ধারণ করে গণতান্ত্রিক ও মানবিক প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জাতির সামনে আবির্ভূত হয়েছেন। তিনি বলেন, বিএনপি যতবারই রাষ্ট্রক্ষমতায় গেছে, ততবারই আগের সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিসহ নানা সংকট মোকাবিলা করতে হয়েছে। ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতিসহ নানা সংকটের মধ্যেও তারেক রহমান দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছেন।

বাবা-মায়ের মতো তিনিও সফল হবেন এবং তার হাত ধরে গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে—এমন প্রত্যাশা করেন মুরাদ।