জো রুট বোল্ড কিন্তু নটআউট; পাকিস্তান হোয়াইট ওয়াশ

এডজাস্টনে চতুর্থ দিনের সকালে ইংল্যান্ড শিবিরে রীতিমতো ত্রাস সৃষ্টি হয়েছিল। জয়ের জন্য মামুলি লক্ষ্য তাড়ায় নামলেও পাকিস্তানের পেস আক্রমণের সামনে শুরুতেই খাদের কিনারায় চলে যায় ইংলিশরা: প্রথম ওভারেই মোহাম্মদ আব্বাসের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে সাজঘরে ফেরেন বেন ডাকেট ও এমিলিও গে (ইংল্যান্ডের রান তখন ২/২)।

তবে ম্যাচের আসল রোমাঞ্চ ও টার্নিং পয়েন্টটি আসে জো রুটের ব্যাটিংয়ের সময়। ব্যক্তিগত ২৩ রানের মাথায় মোহাম্মদ আলীর বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে বোল্ড হয়ে যান রুট। পাকিস্তানের খেলোয়াড়েরা উল্লাসে ফেটে পড়েন, কারণ স্কোর তখন ৩৫/৩-এ গিয়ে ঠেকেছিল। কিন্তু আম্পায়ার পল রাইফেল চেক করে জানান যে বোলার মোহাম্মদ আলী ক্রিজ অতিক্রম করে 'নো বল' করেছেন! ফলে বোল্ড হয়েও জীবন পান জো রুট।

ঠিক যেন ক্রিকেট ইতিহাসের সেই বিখ্যাত নো বলের ঘটনার মতো দৃশ্য, যেখানে বল স্টাম্প ভেঙে চুরমার করে দিলেও নো-বলের কল্যাণে বেঁচে যান ব্যাটসম্যান। এই জীবন পাওয়ার পর আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি রুটকে।
দিনের শুরুতেই মোহাম্মদ আব্বাস আউট করে দেন বেন ডাকেটকে। উল্লসিত পাকিস্তান

এরপর জর্ডান কক্সের সঙ্গে অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন তিনি। রুট দ্রুত গতিতে তার ফিফটি তুলে নেন এবং কক্সের সঙ্গে ১৩০ রানের অনবদ্য জুটি গড়ে ৮ উইকেটের সহজ জয় ও ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হোয়াইটওয়াশ নিশ্চিত করেন। ওই এক নো-বলই ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেয়, আর বেঁচে যাওয়া জো রুট ইংল্যান্ডের জয়কে এনে দেন পূর্ণতা।