গণতন্ত্র ফেরানোর স্বপ্ন ছিল হারুনের, তাকে বাঁচতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
রুহুল কবির রিজভী বলেন, হারুনেরও বেঁচে থাকার ইচ্ছে ছিল। তিনি দলের একজন ছোট্ট কর্মী। তার স্বপ্ন, আশা ছিল তিনিও বাঁচবে। তার ইচ্ছে ছিল গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার। কিন্তু তাকে তারা বাঁচতে দেয়নি। শুধুমাত্র একটা আদর্শের জন্য তাকে হত্যা করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত যুবদল নেতা শহীদ মো. হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর নির্মিত বাড়ি উদ্বোধন ও স্বজনদের কাছে চাবি হস্তান্তর পর স্মরণসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনী শহরের এসএসকে সড়কে যুবদলের মিছিলে পুলিশের গুলিতে হারুন নিহত হন।
ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার জন্য স্কুলের বাচ্চা-শিশুরাও হত্যা থেকে রেহাই পায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের প্রত্যেকটি জায়গায় শেখ হাসিনার গড়ে তোলা পুলিশ বাহিনী, র্যাব রক্ত ঝরিয়েছে, রক্তের বন্যা বহিয়েছে। তাদের আরেক শিকার এ এলাকার শহীদ হারুন।
তিনি বলেন, হারুন টাকা পাচার করেনি। হারুন মেট্রোরেলের টাকা আত্মসাৎ করেনি। সে কথা বলার স্বাধীনতা, বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য নিজের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহারের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন ভিপি, নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আশরাফ উদ্দিন বকুল, ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য মুন্সি রফিকুল আলম মজনুসহ দলীয় নেতারা।