বাগেরহাটের শরণখোলায় খাল থেকে ভাসমান অবস্থায় রাফি আকন (৯) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ প্রতিবেশীকে থানায় নিয়ে হেফাজতে রেখেছে পুলিশ।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের একটি খালে শিশুটির মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে। শিশুটির বাবা জসিম আকন মরদেহটি তার নিখোঁজ ছেলে রাফির বলে শনাক্ত করেন।
রাফি আকন দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া গ্রামের জসিম আকনের ছেলে। সে স্থানীয় আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
শরণখোলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিনয় কুমার হালদার বলেন, সোমবার সকাল ৮টার দিকে স্থানীয় লোকজন খালে শিশুর মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করলে জসিম আকন তার ছেলে রাফি বলে শনাক্ত করেন। শিশুটির মরদেহ ফুলে গিয়েছিল।
তিনি বলেন, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গত ১২ সেপ্টেম্বর রাফি নিখোঁজ হওয়ার পর তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। এরপর পুলিশ ও তার পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজতে থাকে।
এসআই বিনয় কুমার হালদার আরও বলেন, শিশুটির পরিবারের সঙ্গে প্রতিবেশীদের কোনো বিরোধ ছিল কি না, সে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে পাঁচজন প্রতিবেশীকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে শিশুটির মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যায়।