শান্তা কবির

আসলে কাফতান খুবই ট্রেন্ডি পোশাক। কাফতানের যে কড সেট আছে সেটা এই মুহূর্তে যে আবহাওয়া তাতে খুবই আরামদায়ক। কাফতানের মধ্যে শর্ট ও লং দুটো অপশনই আছে।এই ধরনের পোশাককে করপোরেট পোশাক হিসেবে বিবেচনায় রাখা যায়। আবার পলকা ডট যে প্রিন্ট সেটা কয়েক বছর পর পর ঘুরে ঘুরে আমাদের ফ্যাশনে রান করে। আর পলকা ডটের যে টপস করেছি সেটা মূলত ওয়েস্টার্ন প্যাটার্ন। পোশাকটি দেশে তৈরি হলেও আসলে  মোটিফ ও টপসের প্যাটার্ন দুটোই যেন ওয়েস্টার্ন ভাইবে সাসটেইন করতে পারে সেই বিষয়টি মাথায় রেখে তৈরি করেছি। পোশাকের ফেব্রিকস খুবই ফ্রেন্ডলি। কটন বেইজ হওয়ায় আমাদের দেশের আবহাওয়ায় খুবই আরামদায়ক এবং দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। যেহেতু আমাদের ওয়েদারের কথা চিন্তা করে ফ্যাশনটাকে চিন্তা করতে হয়। আর ন্যাচারাল ডাইয়ের পোশাকের ব্যবহার আগেও আমাদের দেশে ছিল। দিন দিন এর ব্যবহার আরও বাড়ছে মানুষের মধ্যে। যেহেতু এটা খুবই স্বাস্থ্যসম্মতভাবে ডাই করা এবং আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। যদি কোনো ধরনের ত্বকের সংক্রমণ থাকে তাহলেও ন্যাচারাল ডাইয়ের পোশাক আরাম করে পরা যাবে। যেহেতু প্রাকৃতিকভাবে রঙ করা। প্রকৃতির বিভিন্ন রিসোর্স থেকে উপকরণ নিয়ে রঙ তৈরি করা হয়। ফলে রঙের ভিন্নতা থাকে। আর এ কারণেই মানুষ অনেক আগ্রহ নিয়ে ন্যাচারাল ডাইয়ের পোশাক পরেন। আসলে আমাদের ফ্যাশনটা শুধুমাত্র দেশীয় ট্রেন্ডের মধ্য সীমাবদ্ধ থাকে না তাই প্যাটার্নটা এমনভাবে তৈরি করি যে যেকোনো দেশের মানুষই এই পোশাকটা পরতে পারে। বয়সের কোনো বাউন্ডারি থাকে না। প্যাটার্নটা এমনভাবে তৈরি  যে  যেকোনো বয়সের মানুষ পোশাকটা পরতে পারেন। লুজ প্যাটার্নের কাটিং থাকে। মূলত আমার ডিজাইন করা পোশাকের  রিসোর্স, ফেব্রিকস সবকিছু দেশীয় শুধু প্যাটার্নটা থাকে আন্তর্জাতিক মানের, তাই আজুরা বাই শান্তা কবিরের পোশাকের প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ অনেক।