ইন্টার মায়ামির জার্সিতে ইতিহাস গড়লেন লিওনেল মেসি। বুধবার নু স্টেডিয়ামে তার গোল ও অ্যাসিস্টে মেক্সিকান ক্লাব ক্রুজ আজুলকে ২-০ গোলে হারিয়ে ক্যাম্পেওন্স কাপের শিরোপা জিতেছে ইন্টার মায়ামি। ইন্টার মায়ামির এটি চতুর্থ ও মেসির ক্যারিয়ারের ৪৮তম ট্রফি জয়। একই সঙ্গে, নতুন আর্জেন্টাইন কোচ ‘কিলি’ গঞ্জালেজের জন্য এটি ছিল স্বপ্নের এক অভিষেক।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল ও খেলার চালিকাশক্তি হিসেবে পুরো মাঠে নিজের প্রভাব বজায় রাখেন লিওনেল মেসি। ২৪ মিনিটে জাদুকরী মুহূর্ত উপহার দেন তিনি। ডান দিক থেকে লুইস সুয়ারেজের বাড়ানো নিখুঁত ক্রস বক্সের ভেতর দারুণ এক হেডে বল জালে জড়িয়ে দেন। ইন্টার মায়ামির জার্সিতে এটি ছিল তার শততম (১০০তম) গোল। মায়ামির হয়ে মাত্র ১১৫ ম্যাচেই এই মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মেসি, যা তার ক্যারিয়ারে যেকোনো দলের হয়ে দ্রুততম শততম গোল করার রেকর্ড। এর আগে বার্সেলোনার হয়ে ১৮৮ ম্যাচ এবং আর্জেন্টিনার হয়ে ১৭৪ ম্যাচে গোলের সেঞ্চুরি করেছিলেন তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে লুইস সুয়ারেজের দুর্দান্ত পাস থেকে আরও একবার বল জালে জড়িয়েছিলেন মেসি, তবে অফসাইডের কারণে সেই গোলটি বাতিল করা হয়।
শুধু গোল করাই নয়, ম্যাচের জয় নিশ্চিত করতে গোলের সুযোগও তৈরি করেছেন মেসি। ৮১ মিনিটে ডান দিক থেকে তার নিখুঁত কর্নারে হেড করে ব্যবধান ২-০ করেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার ক্যাসেমিরো। মায়ামির জার্সিতে এটি ক্যাসেমিরোর চতুর্থ গোল, যার সবগুলোতেই অবদান মেসির।
বর্ণিল ক্যারিয়ারে মেসির ৪৮তম ট্রফি জয়
ক্যাম্পেওন্স কাপের মাধ্যমে ক্লাব ও আন্তর্জাতিক ফুটবল মিলিয়ে লিওনেল মেসি তার বর্ণিল পেশাদার ক্যারিয়ারের ৪৮তম অফিসিয়াল ট্রফি জয় করলেন।
বার্সেলোনা ৩৫টি ট্রফি
লা লিগা: ১০টি
স্প্যানিশ সুপার কাপ: ৮টি
কোপা দেল রে: ৭টি
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: ৪টি
উয়েফা সুপার কাপ: ৩টি
ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ: ৩টি
আর্জেন্টিনা জাতীয় দল ৬ ট্রফি
ফিফা বিশ্বকাপ (কাতার ২০২২): ১টি
কোপা আমেরিকা: ২টি
ফাইনালিসিমা: ১টি
অলিম্পিক স্বর্ণপদক (অনূর্ধ্ব-২৩, ২০০৮): ১টি
ফিফা অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ (২০০৫): ১টি
পিএসজি ৩টি ট্রফি
লিগ ওয়ান ২টি
ফ্রেঞ্চ সুপার কাপ ১টি
ইন্টার মায়ামি ৪টি ট্রফি
লিগস কাপ
এমএলএস সাপোর্টার্স শিল্ড
এমএলএস কাপ
ক্যাম্পেওন্স কাপ