আমার মা

আমার মা মজার মজার খাবার রান্না করেন। যেমন বিরিয়ানি, খিচুড়ি, ফ্রাইড রাইস, চাইনিজ সবজি, ফুচকা, চটপটি, চিকেন ফ্রাই, স্যান্ডউইচ, বার্গার, পিজ্জা, শিঙাড়া, চপ, হট ডগ, স্যুপ। এ ছাড়াও অনেক কিছু। আমার মনে হয়, তিনি-ই পৃথিবীর সেরা রাঁধুনী। একদিন আমি স্কুলে সব বন্ধুদের জন্য মায়ের বানানো শিঙাড়া নিয়ে গিয়েছিলাম। তাদের খুব ভালো লেগেছিল। আমার মায়ের রান্নার কোনো তুলনাই হয় না।

আমরা দুই ভাই একসঙ্গে খেলা করি। মাও আমাদের খেলার একজন সাথি। আমি যখন ক্রিকেট খেলতে চাই, কিন্তু ভাই রাজি হয় না, তখন মা আমার সঙ্গে ক্রিকেট খেলে। এ ছাড়াও আমাদের সঙ্গে লুডু, ক্যারাম, দাবা আরও কত কি যে খেলে!

মায়ের কাছ থেকে আমি আবৃত্তি শিখেছি। আমি যখন ধানমন্ডি গভমেন্ট বয়েজ হাই স্কুলে পড়তাম, তখন যতবার আমি সেখানকার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আবৃত্তিতে নাম দিয়েছিলাম, ততবারই আমি প্রথম হয়েছিলাম।

আমি যখন পড়াশোনা করার সময়ে কোনো কিছু বুঝতে পারি না, তখন মা অনেক সুন্দরভাবে বুঝিয়ে দেয়। কখনো আমাদের বকে না। কোনো কিছু চাইলে, সেটা দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। কিছু খেতে চাইলে, সেটাও রান্না করে দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে। মায়ের সঙ্গে গল্প করতে খুব ভালো লাগে। আমি মাকে সবকিছু নির্ভয়ে বলতে পারি।

আমার মা কিন্তু একজন লেখকও। ছোটদের জন্য মজার মজার ছড়া লেখেন। সেগুলো নিয়ে একটা বই বের হয়েছিল ২০২৩ সালে, নাম ‘ময়না কেন কয় না কথা’। মাকে দেখেই আমি লিখতে অনুপ্রাণিত হয়েছি।